এর সর্বশেষ সংবাদ
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/22/1516536953_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">৩মাস কোর্স করে তিনি এখন মস্ত বড় ডাক্তার। নিয়মিত ভিজিট নিয়ে রোগীও দেখেন। শুধু তাই নয় গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ধোকা দিয়ে কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন বড় হাসপাতালে রোগীর দালালী করে সামন্য ফার্মেসি থেকে গত ৩/৪ বছরে হয়েছেন ১টি ভুয়া হাসপাতাল ও ১টি অনুমোদনহীন ডাগনষ্টিক সেন্টার ও একটি ভুয়া প্যাথলজি সহ ফার্মেসীর মালিক! এখানেই শেষ নয়, ডাক্তারি করারমত নূন্যতম সার্টিফিকেট বা যোগ্যতা না থাকলেও কুমিল্লা সদর উপজেলার কালির বাজারস্থ নিজস্ব হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চেম্বার খুলে এমবিবিএস এফসিপিএস অথবা বিশেষজ্ঞ রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক এর ব্যবস্থাপত্র পাল্টে দিচ্ছেন তিনি। তাও আবার দুজন সাংবাদিক এর সামনেই! আশ্চর্য না হয়ে উপায় আছে? <br>অবশ্য এসব তিনি এমনি তো আর করছেন না, কারন ও আছে, তার রয়েছে স্থানীয় নেতাদের সাথে ভাব ভালোবাসা ও ওঠাবসা আবার সরকারীদলের নেতাও পরিচয় দেন নিজেকে। তাছারা এমন কথা অনেকর সাথে তিনি নিজেই নাকি বলে বেড়ান কুমিল্লা সিভিল সার্জন অফিস সহ সরকারী উচু দপ্তরে তার লোক রয়েছে আর নিয়মিত মাসোয়ারা দিয়েই তিনি ব্যবসা করছেন তিনি। কালির বাজারের স্থানীয় আশেপাশের কয়েকজন ফার্মেসি মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে ডাক্তারির তো নয়ই এমনকি পল্লি-চিকিৎসক হিসেব তার কোন সনদ রয়েছে বলেও তাদের জানা নেই। তবে ৩-৬ মাসের একটি কোর্স করেছেন আইসিডিডিআরবি থেকে ডাইরিয়ার ওপর । আর এই যোগ্যতার বলেই সামান্য ফার্মেসি ব্যবসায়ী লিটন দেবনাথ কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই রাতারাতি খুলে বসেছেন ২২ শয্যা বিশিষ্ট একটি ডাইরিয়া হাসপাতাল। পাশাপাশি ১৫ শয্যা বিশিষ্ট অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যথারীতি চেম্বার খুলে জেনারেল ফিজিসিয়ান লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ভিজিট নিয়ে দিচ্ছেন সব রোগীর প্রেসক্রিপশন ও চিকিৎসাও।<br><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/22/1516536972_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">খোজ নিয়ে জানা যায় কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ১নং কালির বাজার ইউনিয়নস্থ এলাকার বাজারের সিএনজি ষ্টান্ড এর পাশে গত৩/৪ বছর আগ পর্যন্ত হাতুরে চিকিৎসক লিটন দেবনাথ একটি ছোট ফার্মেসি চালাতো। ঔষধ বেচাকেনার পাশাপাশি সাধারনত গর্ভবতী নারী ও গরুতর অপারেশনের রোগীদের কুমিল্লা শহরের কয়েকটি হাসপাতালে (চুক্তিভিত্তিক) নিয়ে পৌছে দিতেন। আর আসল ব্যাবসা ছিলো এখানেই। রোগীর খুশি হয়ে কিছু দিত আর মোটা কমিশন তো পেতেনই হাসপাতাল থেকে। এলাকায় পরিচত হয়ে ওঠেন লিটন দেবনাথ রোগী ভালোই আসতে থাকে তার কাছে। হাসপাতালে ঘন ঘন যাতায়াত করতে করতে তিনি নিজেই একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজি সেন্টার খুলে বসেন কালির বাজার মাইনুদ্দিন মার্কেটের অপর পাশে একটি তিনতলা ভবন ভাড়া নিয়ে । এরপর একটি ডায়রিয়া হাসপাতাল।গ্রামের সহজ সরল মানুষকে প্রতিনিয়ত ধোকা দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। নিজেই দেখছেন রুগী, দিচ্ছেন টেষ্ট, ভর্তী করে টাকা তে নিচ্ছেনই পাশাপাশি ঔষধ ও তিনিই দিচ্ছেন। এছাড়াও হাতুরে ভুয়া ডাক্তার লিটন দেবনাথের অবৈধ “মামনি ডায়াগনষ্টিক সেন্টর ” ও “ডাইরিয়া হাসপাতাল” বিরুদ্ধে রয়েছে আরো বেশ কিছু অভিযোগ। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের সাথে চলাফেরা আওয়ামীলীগ এর রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে নেতাদের নাম ভাঙ্গীয়ে এসব অভিযোগ ধামাচাপা দেয়ার বিষয়েও প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন এলাকার বেশ কয়েকজন।<br>এসব বিষয়ে কথা বলতে গত বুধবার বিকেলে কালির বাজার মামনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিটন দেবনাথের চেম্বারে গিয়ে দেখাযায় পুরুষ ও মহিলা রোগীদের লম্বা লাইন। তাদের কেউ গর্ভবতী, কারো অর্থপেডিক সমস্যা, কারো শিশুর নিউমোনিয়া, আবার কারো বা চর্মরোগ সহ আরো নানা জটিল রোগাক্রান্ত রোগী। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে চেম্বারের সামনে দাড়িয়ে থাকে এপ্রোন পরিহিত ১৩/১৪ বছরের মেয়েটি সটকে পরলো। এরপর অনুমিত নিয়ে দুজন সাংবাদিক প্রবেশ করে তার চেম্বারে ঢুকে দেখা গেলো একজন বয়স্ক হাতভাঙ্গা রোগীর প্রেসক্রিপশন লিখছেন তিনি। তাও আবার একজন অর্থপেডিক সার্জনের ব্যবস্থাপত্র বদলে দিয়ে!! ডাক্তার সার্টিফিকেট ও যোগ্যতা জানতে চাইলে তিনি জানান তিনি রোগী দেখেন না নিয়মিত দুজন ডাক্তার বসেন এমবিবিএস । যদিও তাদের খোজ করে পাওয়া যায় নি।ডাইরিয়া হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন কাগজ জমা দেয়া হয়েছে অনুমোদন হয়ে যাবে কিছুদিন পর। এতোদিন অনুমোদন না নিয়ে কি করে ব্যবসা করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন “বোঝেনই তো ভাই ওখানেও কিছু দিতে হয় and nbsp; and nbsp; সে এসব নানা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কথা এড়িয়ে নানা ভাবে ম্যানেজ করতে চান এই প্রতিবেদক কেঅবৈধ পন্থায় ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় দুজন আওয়ামীলীগ নেতা কে দিয়ে প্রতিবেদকের সাথে ফোনে কথাও বলান কালির বাজার এলাকার ভুয়া ডাক্তার লিটন দেবনাথতিনতলা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি ঘুরে দেখা যায় ছোট ছোট খুপরি ঘর ও বদ্ধ রুমে অপরিছন্ন নোংরা পরিবেশে চেকন চেকন বেড বিছানো রয়েছে। বাথরুম ব্যবহারের অনুপযোগী। রোগীর থাকার জায়গা প্রতিটি রুমে দুর্গন্ধ। সোজা কথা হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার না এটিকে মর্গ ও বলা যেতে পারে।<br>আর এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রয়েছে চারজন অদক্ষ নার্স তাদের পাওয়া গেলো হাসপাতালের তিনতলার একটি খুপরি ঘরে। এদের সাথে কথা বলে জানা যায় কারো কোন অভিঞ্জতা বা প্রতিষ্ঠানিক সনদ না থাকলেও তারাই স্যালাইন পুশ, ইনজেকশন দেয়া সহ নার্সের সকল দায়িত্ব পালন করেন তারাই ।<br><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/22/1516536994_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">এমন একটি জনবসতিপুর্ণ এলাকায় প্রকাশ্য সড়কের পাশে বাজারের মাঝখানে একজন ভুয়া ও অযোগ্য ডাক্তার, ভুয়া প্যাথলজিসহ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অবৈধ হাসপাতাল কি করে চলতে পারে আর সিভিল সার্জন অফিসের নাম ভাঙ্গীয়ে কি করে প্রতিদিন মানুষের জীবন ও রোগ নিয়ে খেলা করে হাজার হাজার টাকা লুটে নিচ্ছে । কালির বাজার এলাকার ভুয়া ডাক্তার লিটন দেবনাথ এর খুটির জোড় কোথায় জানতে এরপর দিন বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সিভিল সার্জন অফিসে গিয়ে জানা যায় তিনি চট্টগ্রাম গিয়েছেন সকালেই । সিভিল সার্জন অফিসের আরেক কর্মকর্তা কামাল সাহেবের সাথে কথা বলে জানা যায় লিটন দেবনাথ নামের এর কোন ডাক্তারকে তারা চেনেন না। কালির বাজারে মামনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল তাদের তালিকার ৩৫৪টির ভেতরে কোথাও নেই। তবে অবৈধ হাসপাতালের অভিযোগ শুনি তিনি জানান “স্যার শনিবারে কুমিল্লায় চলে আসবেন আশা করি। এবং হাসপাতালটিত খুব দ্রুত সম্ভব হলে রবিবারেই অভিযান চালানো হবে। অবৈধ হাসপাতাল ও ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সেই সাথে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান । “ </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/22/1516481800_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জীবনের একটি বড় অংশজুড়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকেও শেষবেলায় এসে দল থেকে উপেক্ষিত রয়েছেন অনেক প্রবীণ, পোক্ত ও পেশাজীবী রাজনীতিক। and nbsp; মহানগর থেকে শহর, মফস্বল থেকে তৃণমূল— and nbsp; প্রায় সর্বত্রই বিএনপির পরীক্ষিত কর্মীরা জায়গা হারাচ্ছেন। তাদের দীর্ঘদিনের স্বোপার্জিত অবস্থান চলে যাচ্ছে অর্থশালী তরুণদের দখলে।<br>আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই প্রক্রিয়া আরও জোরদার করছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ইতোমধ্যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন তিনি। একইভাবে দলটিতে আরও প্রকট হতে যাচ্ছে পরিবারতন্ত্রের ধারাবাহিকতা। এর প্রভাব দেখা যেতে পারে আগামী জাতীয় নির্বাচনে।<br>বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনীতি থেকে পেশাদার রাজনীতিকরা হারিয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে রাষ্ট্র পরিচালনায়। দলের ভেতরে আন্তঃকোন্দল, পেশীশক্তির ব্যবহার, টাকা-পয়সার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের পেছনে অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের অংশগ্রহণকে দায়ী করছেন পর্যবেক্ষকরা।<br>বিএনপির ভুক্তভোগী রাজনীতিকরা দৃশ্যত এ নিয়ে কথা বলতে না চাইলেও কেউ-কেউ মনে করছেন, রাজনীতিকরা মূল্যায়িত না হওয়ায় এর প্রভাব পড়ে জাতীয় সংসদে। এ কারণে দেশ ও জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দেন না মূলধারার রাজনীতির বাইরে থেকে আসা অনেক পেশাজীবী। উল্টো আইন পাস বা দেশ পরিচালনায় নীতির ব্যবহার বাদ দিয়ে কাবিখা, গম ও রাষ্ট্রের সম্পত্তি লুটপাটের দিকে ঝুঁকে পড়েন তারা।<br>বিএনপি চেয়ারপারসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে বিভিন্ন পেশা থেকে আসা ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার চিন্তাভাবনা এগিয়ে নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রবাসী কয়েকজন নেতা, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবীদের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের মধ্যে একজনকে নিশ্চিত করা হয়েছে ময়মনসিংহ জেলার একটি আসনের জন্য। খালেদা জিয়ার এই আগ্রহের প্রতিফলন ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট নির্বাচনেও। সেখানে শিক্ষকদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের যুক্ত করা হয়েছে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলে।<br>অন্যদিকে পেশাদার রাজনীতিকদের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র। বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক কাজী আসাদ জীবনের শেষ দিকে এসে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন ধীরে ধীরে। ছাত্রজীবন থেকে বিএনপির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এই নেতা কখনোই সংসদ সদস্য হতে পারেননি। বর্তমানে তিনি পালন করছেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টার দায়িত্ব। অসুস্থ এই নেতার নির্বাচনি এলাকা গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া। গত নির্বাচনে প্রার্থিতা করার কথা থাকলেও করেননি। এমনকি আগামী নির্বাচনেও তার অংশগ্রহণ প্রায় নেই বললেই চলে।<br>কথায়-কথায় নিজের অভিব্যক্তি জানালেন কাজী আসাদ। তার মন্তব্য— ‘রাজনীতি এখন বাণিজ্যিক হয়ে গেছে। অধিকাংশ রাজনীতিবিদ কিছু পাওয়ার আশা করেন। আর আমি রাজনীতির পেছনে ঘুরে তো নিঃস্ব হয়ে গেলাম। আমার বাবার ফিন্যান্সিয়াল সলভেন্সি ছিল বলে রাজনীতিতে যুক্ত থাকতে পেরেছি ২৪ ঘণ্টা।’<br>কাজী আসাদের বেশিরভাগ সময় এখন কাটে শুয়ে-বসে। ভারত-বাংলাদেশ ছুটোছুটি করে রোগ সারাই না হলেও তার ব্যবসা বছরখানেক ধরে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে তার খেদোক্তি, ‘ভাবছিলাম আগামী নির্বাচন করবো। কিন্তু শরীরের যে অবস্থা তাতে আর সেই সুযোগ নেই।’<br>স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোক্তাও কাজী আসাদ। জীবনের পুরোটা সময় ধরে বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক, গবেষণা সেলের প্রধানসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে যতটা ঋদ্ধ হয়েছেন, সংসদীয় রাজনীতিতে দল থেকে প্রত্যাখ্যাতও হয়েছেন সমপরিমাণ।<br>বিএনপি থেকে একরকম হারিয়ে গেছেন সানাউল হক নীরু। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) উপনির্বাচনে প্রার্থিতা চাইতে গিয়ে অবমূল্যায়িত হয়েছেন ছাত্রদলের একসময়ের একনিষ্ঠ নেতা ড. আসাদুজ্জামান রিপন। সবশেষ কাউন্সিলে তাকে দেওয়া হয়নি কোনও সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব। তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন, ‘ডিএনসিসিতে প্রার্থী না করলেও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা করার বিষয়ে উচ্চপর্যায় চাইলে তাকে প্রস্তুতি নিতে পরামর্শ দিতে পারতো।’<br>ড. আসাদুজ্জামান রিপন এ বিষয়ে নিজে মন্তব্য করতে রাজি না হলেও কাজী আসাদ বললেন, ‘তিনি তো ভালো, লেখাপড়া জানেন। তার মনোনয়ন পাওয়া দরকার ছিল। না পাওয়ার কারণ আছে। ঢাকা সিটিতে নির্বাচন করতে হলে যে ফান্ড অ্যান্ড ফিন্যান্স দরকার, তা কমতি আছে তার। উচ্চপর্যায় হয়তো এটা ধারণা করছে। এজন্য হয়তো তিনি পাননি। তবে তার পাওয়ার দরকার ছিল।’<br>কেন্দ্রে নীরু-রিপনের মতো মফস্বল-জেলা শহরগুলোতেও রাজনীতিকরা পেশাজীবীদের কাছে নিজেদের জায়গা হারাচ্ছেন। এরশাদ সরকারের সময় আন্দোলনে সম্পৃক্ত ১৯৮৬ থেকে ’৮৯ সালে সারাদেশের ছাত্রসংসদগুলোর প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর অনেকে রাজনীতিতেই স্থায়ী হতে পারেনি। দল থেকে কেউ পাননি পর্যাপ্ত মূল্যায়ন। ঢাকার বাইরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজগুলোতে ছাত্রদলের একাধিপত্য থাকলেও সেই সময়কার কোনও নেতাকেই বিএনপিতে বড় অবস্থানে আসতে দেখা যায়নি। নব্বই দশকে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই পরিবর্তনের সূচনা হয়। এর মাধ্যমে দলে যুক্ত হন ব্যবসায়ী, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, প্রকৌশলীসহ অন্য পেশার ব্যক্তিরা।<br>বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রবীণ রাজনীতিক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ভাষ্য, ‘রাজনীতিবিদদের হাতে এখন আর রাজনীতি নেই। বিরাট একটা পরিবর্তন এসে যাচ্ছে বা এসে গেছে। রাজনীতিবিদ বলতে আমরা যেটা বোঝাই এখন তা নেই। এখন কে কত টাকা বানাতে পারবে, সেই লোভ-লালসার লড়াই।’<br>আগামী দিনে এর প্রভাব কেমন হবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘এই ধারা শুরু হয়ে গেলে পরবর্তী সরকার সেভাবেই চলবে। সত্তরের বেশি সংখ্যক ব্যক্তি ব্যবসার পর রাজনীতি করে। রাজনীতি হচ্ছে সমাজে স্বীকৃতিলাভের বাহন। সমাজসেবা, মানুষের সেবা করা— এসব বিষয় এখন আর এতে নেই।’<br>বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, খোদ বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকেই অনেককে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজপথে সক্রিয় থাকার চেয়ে পারিবারিক ও অভ্যন্তরীণ সম্পর্ককে প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়টি মুখ্য হয়ে এসেছে। যে কারণে দীর্ঘদিন রাজনীতি করলেও সংসদীয় রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার কোনও সুযোগ নেই অনেক ত্যাগীনেতার সামনে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক জেলা কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাদের ভাষ্য, ‘এতে করে দলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’<br>২০১৪ সালে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপির জেলা কমিটিতে ৪৫ শতাংশ নেতা ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার। সার্বক্ষণিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন নেতার সংখ্যা কমিটিতে মাত্র ২৩ শতাংশ।<br>সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বলেন, ‘রাজনীতিতে নীতি-আদর্শ বাকি আছে বলে মনে হয় না। ক্ষমতা ভোগ করা, ক্ষমতায় যাওয়া, ব্যবসায়িক স্বার্থ আরও সমুন্নত আর চরিতার্থ করার জন্যই রাজনীতি। নীতি-আদর্শ যেহেতু নেই, তাই এখন সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে।’<br>সুজন সম্পাদক এই প্রবণতাকে রাজনীতিতে অর্থ ও পেশীশক্তি ব্যবহারের জন্য অভিযুক্ত করেন। তার ভাষ্য, ‘নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ অর্থব্যয়ের বিষয়টিও ব্যবসায়ীরা আসছে বলেই হচ্ছে।’<br>রাজনীতিতে রাজনীতিবিদরা গুরুত্ব পাচ্ছেন না, ‘এর ফলাফল ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেন এই পর্যবেক্ষক। তার কথায়, ‘দলের মধ্যে আন্তঃদল প্রতিষ্ঠা হওয়ার পেছনেও এটাই মূল কারণ। এর রেশ ধরে দ্বন্দ্ব-সংঘাত হচ্ছে। আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের কোনও ধারণা নেই। তাই ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কারণ তারাই ক্ষমতায় আসে।’ </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516302872_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: রামপুরা থানা বিএনপির চলতি কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ সহসভাপতি পদে রয়েছেন আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ আলম। তিনি আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী লাগাতার হরতাল অবরোধকালে জ্বালাও পোড়াও, নাশকতা সৃষ্টিসহ পেট্রোল বোমাবাজি মামলারও আসামি। আওয়ামীলীগ নেতা শিল্পপতি হুমায়ুন জহির হত্যা মামলারও অন্যতম আসামি তিনি। বিএনপির সংসদ সদস্য কারাগারে মৃত নাসির উদ্দিনের দেহরক্ষী হিসেবে পরিচিত মোঃ আলমকে আওয়ামীলীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক করা হয়েছে। আলমের ভাই মহসীন হোসেনও থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধেও জ্বালাও পোড়াও, নাশকতা সৃষ্টি, শতাধিক গাড়ি ভাংচুরসহ সরকারি কর্মকান্ডে বাধাদান সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। তাকেও আওয়ামীলীগের প্রস্তাবিত থানা ও ওয়ার্ড কমিটির দুটি স্থানেই নাম দিয়ে রাখা হয়েছে। <br>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী বর্ষ বরণের রাতে বাধন নামে এক তরুণির শ্লীলতাহানির ঘটনায় ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কৃত ও জেলখাটা আসামি চন্দন দাসও ঠাঁই পেয়েছেন and nbsp; রামপুরা থানা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদ। নারায়নগঞ্জ চাষাঢ়ার ডাকসাইটে যুবদল নেতা আখতার হোসেন ওরফে আদম আখতারেরও ঠাঁই জুটেছে রামপুরা আওয়ামীলীগের থানা কমিটিতে। খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের সভাপতি হুমায়ুন কবীর আজাদ ওরফে বিএনপি আজাদকেও থানা আওয়ামীলীগের ৪ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়েছে। <br>এভাবেই বিএনপি-জামায়াত জোটের বিভিন্ন কমিটির দায়িত্বশীল নেতারা অবলীলায় ঢুকে পড়ছেন আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর দায়িত্বশীল নেতৃত্বে। এসব ব্যাপারে ত্যাগী নেতা কর্মিদের বাদ-প্রতিবাদ, আবেদন নিবেদন কোনো কিছুই গ্রাহ্য করা হচ্ছে না। বরং যারাই এসব বিএনপি-জামায়াতিদের বিরোধীতা করছেন তাদের নাম কমিটিতেই রাখা হচ্ছে না। <br>এমন একনায়কতন্ত্রী মনোভাব আর মোটা অঙ্কের অর্থ ছড়াছড়ির মধ্য দিয়েই গঠন করা হচ্ছে and nbsp; রাজধানীর রামপুরা থানা এবং ২২, ২৩ ও ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের কমিটি গঠন। টাকার কাছে ধরাশায়ী হয়ে বিএনপি-জামায়াতের বর্তমান কমিটির নেতা কর্মিরাই থানা আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব লাভ করতে যাচ্ছে। অন্যদিকে ছিটকে পড়ছে দলের ত্যাগী নেতা কর্মিরা। সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের নাম কেটে ঢুকানো হচ্ছে সরকার বিরোধী জ্বালাও পোড়াও মামলার আসামিসহ নাশকতা সৃষ্টিকারীদের। ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত এ কমিটি থেকে বিএনপি-জামায়াত and nbsp; নেতা কর্মিদের নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত আওয়ামীলীগারদের নিয়ে কমিটি গঠন করতে দু’দফা ফেরত পাঠানো হয়েছে। সংশোধিত কমিটি গঠনের জন্য নির্দ্দিষ্ট সময়সীমাও বেধে দিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের কোনো আদেশ নির্দেশ এ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে পাত্তাও পাচ্ছে না। বরং আওয়ামীলীগের নীতিমালা অনুযায়ী কমিটি গঠনের কাঠামো পর্যন্ত মানা হচ্ছে না। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পদকে সাধারণ সদস্যদের সহাবস্থানে রাখা হয়েছে। <br>ঢাকা-১১ আসনভুক্ত থানা ও ওয়ার্ড কমিটি চুড়ান্তকরণের দায়িত্ব প্রাপ্ত আহবায়ক সাবেক এমপি জাহানারা বেগম এতসব অসঙ্গতির কারণে প্রস্তাবিত কমিটিতে সাক্ষর না দিয়ে দুই মাস ঝুঁলিয়ে রাখেন। কিন্তু তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করাসহ হুমকি ধমকির মুখে জোরপূর্বক ওই কমিটির প্রস্তাবনায় সাক্ষর প্রদানে বাধ্য করারও অভিযোগ উঠেছে। বহুবিধ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্র থেকে রামপুরা থানা আওয়ামীলীগের কমিটি অনুমোদন ছাড়াই ফেরত পাঠানো হয় এবং শিগগির জামায়াত-বিএনপিমুক্ত কমিটির প্রস্তাবনা পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট থানা আওয়ামীলীগ কমিটির প্রভাবশালী নেতা কোনো কিছুই তোয়াক্কা করছেন না, বাদ দিচ্ছেন না বিএনপি-জামায়াতি নেতাদেরও। বরং নতুন নতুন কৌশলে তাদেরকে কমিটিতে রাখার পাঁয়তারাও চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিএনপির মোহসীন হোসেনের নাম পরিবর্তন করে হাল নাগাদের ভোটার তালিকায় নাম দেয়া হয়েছে মোঃ কবীর হোসেন। এ নামটি এবার যোগ করা হয়েছে ২৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কমিটিতে। <br></body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516217278_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: নিষিদ্ধ বিট কয়েনের গোপন বাজার এখন অনেকটাই রমরমা। লেনদেনকারী তার আসল নাম ঠিকানা ব্যবহার করছেন না। বেশিরভাগ আর্থিক লেনদেন ছদ্মনামে হয়। তালিকায় আছেন একদল দক্ষ সাইবার অপরাধী। যাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ও বাইরের বহু দেশের সাইবার অপরাধী চক্রের যোগসূত্রের তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জারি করা নির্দেশনায় বিট কয়েনে বা ভার্চুয়াল লেনদেনকে বেআইনি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। নিষিদ্ধ করার পরও এ পদ্ধতির আর্থিক লেনদেন বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। গোয়েন্দা অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিষিদ্ধ এই সিস্টেমের সঙ্গে জড়িতদের তালিকায় আছেন ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা, মাফিয়া শ্রেণির স্বর্ণ ও মাদক পাচারকারী, হুন্ডি ব্যবসায়ীসহ আরো সুবিধাভোগী শ্রেণির লোকজন। এদের মধ্যে আন্তঃদেশীয় গ্রুপকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। যে কোনো সময় তাদের আইনের আওতায় আনা হতে পারে।<br>গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বিট কয়েনের লেনদেনের ফলে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার হচ্ছে। আবার অর্থ আসছেও বিভিন্ন দেশ থেকে। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংক ও রাজস্ব ব্যবস্থার বাইরে আসা এ অর্থ ব্যবহার হচ্ছে জঙ্গি কর্মকাণ্ডেও। বর্তমানে বিট কয়েনের লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে গোয়েন্দারা টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি বিট কয়েন যারা পরিচালনা করছেন তাদের ধরতেও বিশেষ কৌশল নিয়েছেন গোয়েন্দারা।<br>একাধিক গ্রুপ বাংলাদেশে বিট কয়েনে লেনদেনে যুক্ত আছে। এদের মধ্যে অন্যতম একজন মহিউদ্দিন বিন ইয়ামিন এখন দেশের বাইরে। তবে মিজানুর রহমান ও আহসানুজ্জামান নামে দু’জনকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ চক্রে মাসুদ কামাল, মনিরুল ইসলাম, রকিবুল হাসান ও নুরুজ্জামানসহ সাত থেকে আটজন সাইবার অপরাধী আছেন।<br>সাইবার বিশেষজ্ঞদের সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো ছদ্মনামের একদল সফটওয়্যার ডেভেলপার নতুন ধরনের ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি’ প্রচলন করে। এর নাম দেয়া হয় বিট কয়েন। ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অনলাইনে দু’জন ব্যবহারকারীর মধ্যে এটি সরাসরি (পিয়ার-টু-পিয়ার) আদান-প্রদান হয়। নিজের পরিচয় প্রকাশ না করে এই পদ্ধতিতে লেনদেন করা যায়।<br>বিট কয়েনের পুরো পদ্ধতি পরিচালিত হয় অনলাইনে একটি বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে। লেনদেনটি যে সার্ভারে সুরক্ষিত থাকে সেটির নাম হলো মাইনার। এই মাইনারের মাধ্যমে বিট কয়েন তৈরি হয়। একটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন বিট কয়েন তৈরি হয়। বিট কয়েন মূলত ইন্টারনেট সিস্টেমে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কে প্রোগ্রামিং করা আছে, যা চাইলে কেনা যায়। তবে এটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা কোনো দেশের জারি করা মুদ্রা নয়। ইন্টারনেট সিস্টেমকে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি এই সিস্টেমকে ডেভেলপ করেছে। যা দিনের পর দিন জনপ্রিয় হতে থাকে।<br>সাইবার নিরাপত্তা ও সোস্যাল মিডিয়া স্পেশালিস্ট পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিট কয়েন উৎপন্ন হওয়ার পর তা গ্রাহকের ডিজিটাল ওয়ালেটে থাকে। সেই কয়েন দিয়ে কোনো পণ্য কেনা হলে তা বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। বিক্রেতা পরবর্তী সময়ে সেই বিট কয়েন দিয়ে পুনরায় পণ্য কিনতে পারেন। আবার সমান পরিমাণ বিট কয়েন ক্রেতার লেজার থেকে কমিয়ে দেয়া হয়।<br>তার মতে, এ ধরনের লেনদেনে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন পড়ে না। এমনকি লেনদেনের গতিবিধিও অনুসরণ করা যায় না। এর ফলে অর্থ পাচারে জড়িত ও মাফিয়া চক্র এতে ঝুঁকে পড়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে জঙ্গি অর্থায়নে ব্যবহার হয়েছে বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই লেনদেনে ব্যয় কম হওয়ার কারণেও এক ধরনের জনপ্রিয়তা পেয়েছে অপরাধী চক্রের কাছে। এডিসি নাজমুল ইসলাম আরো বলেন, অনলাইনে লেনদেনে বিট কয়েনের (ক্রিপ্টোকারেন্সি) ব্যবহার বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে। বাংলাদেশেও সম্প্রতি বিট কয়েনের লেনদেন শুরু হয়েছে। কারা কারা করছে তা চিহ্নিত করা হয়েছে। এরা সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগের নজরদারিতে আছেন।<br>এদিকে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েক দফা বৈঠকের পর সাইবার বিশেষজ্ঞদের সুপারিশের ভিত্তিতে ভার্চুয়াল জগতে ক্রমেই জনপ্রিয় ওঠা বিট কয়েন বাংলাদেশে বৈধ নয় বলে সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সতর্কবার্তায় এ ধরনের লেনদেন না করার নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।<br>গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয় যে, বিট কয়েনের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। ঝুঁকি এড়াতে এ দিয়ে লেনদেন কিংবা এর প্রসারে সহায়তা কিংবা প্রচার থেকে বিরত থাকতে সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।<br>নামবিহীন বা ছদ্মনামে প্রতিসঙ্গীর সঙ্গে অনলাইনে ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেনের দ্বারা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ও সাইবার অপরাধ সম্পর্কিত আইনের লঙ্ঘন হতে পারে। এ ছাড়া অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেনকারী গ্রাহকরা ভার্চুয়াল মুদ্রার সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকিসহ বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন বলে সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।<br>জানা যায়, বাংলাদেশে বিডি কার্ডের ইয়ামিন চক্রের লোকজন বিট কয়েন সিস্টেম চালুর চেষ্টা করেছিল বৈধ কৌশলে। কিন্তু গোয়েন্দারা এতে নানা ধরনের ঝুঁকি চিহ্নিত করেন। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে প্রকাশ্যে বিট কয়েন সিস্টেম চালু করার জন্য একটি শক্তিশালী চক্র উদ্যোগ নেয়। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। এতে উল্লেখ ছিল, দেশে বিট কয়েন নামীয় অনলাইনভিত্তিক কৃত্রিম মুদ্রায় লেনদেন হচ্ছে। ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, বিট কয়েন বিবিধ বিনিময় প্লাটফর্মে কেনাবেচা হচ্ছে। কিন্তু ‘বিট কয়েন’ কোনো দেশের বৈধ মুদ্রা নয়। বিট কয়েন বা এর মতো কোনো কৃত্রিম মুদ্রায় লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের কোনো সংস্থারও স্বীকৃত নয়। অনুমোদনবহির্ভূত এসব লেনদেন বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭ ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই বিজ্ঞপ্তিতে এর মাধ্যমে লেনদেন না করা বা এতে সহায়তা না করার জন্যও জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এর পরও এ ব্যবসা চলছে।<br>সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পেইজা, পেপাল, মানি বুকার্সের মতো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মতোই ঢাকায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিট কয়েন লেনদেন গেটওয়ের তথ্য উদ্ধার করতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশেই বিভিন্ন গেটওয়ে পেমেন্ট প্রসেস হিসেবে অনেক সাইটে বিট কয়েন পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে। এরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় পাচারকারীদের সহায়তা করছে।<br>পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে অর্থ পাচারের একটি হাই এনক্রিপশন কৌশল হলো বিট কয়েন। এ পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন প্রবাসীদের কেউ কেউ, পাচারকারী, মাফিয়া সিন্ডিকেট, কালো টাকার মালিক ও দুর্নীতিবাজরা। এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে গোয়েন্দা অনুসন্ধান ও অভিযান চলছে।<br>দায়িত্বশীল এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের বিপুল অর্থ চুরির পর ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কা ফেরত তদন্ত টিম বিট কয়েন সংক্রান্ত নানা ধরনের তথ্য-উপাত্ত হাতে পায়।<br>ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের গবেষকদের মতে, ২০১৭ সাল শেষে ৬০ লাখের মতো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিট কয়েন ওয়ালেট বা ডিজিটাল ওয়ালেট থাকবে। অন্য এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, ২০১৫ সালে ১ লাখের বেশি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বিট কয়েন গ্রহণ করছিল। একে আবার কেউ কেউ ভবিষ্যতের মুদ্রা বলে করে থাকেন।<br><br><br> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516215866_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ইন্দোনেশিয়া যাওয়ার সুযোগ নিচ্ছে মানবপাচারকারী চক্র। ভিসা ছাড়া যাওয়ার সুযোগ থাকায় প্রথমে ঢাকা থেকে বালি বা জাকার্তায় নেয়া হয়। এরপর সুযোগমতো নৌকাযোগে জাভা সাগর পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া বা অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর চেষ্টা করে and nbsp; পাচারকারী চক্র। এনিয়ে মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। সর্বশেষ মালয়েশিয়াতে ১৭২ জন বাংলাদেশি গ্রেপ্তারের পর নতুন রুট সম্পর্কে জানতে পেরেছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাসের কর্মকর্তারা ইন্দোনেশিয়া হয়ে মালয়েশিয়াতে মানবপাচারের নতুন রুট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।<br>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া সরকার একাধিক অভিযান এবং সমুদ্রপথে টহল জোরদারের পর মানবপাচারের রুট পরিবর্তন করেছে পাচারকারী চক্র। পোর্ট এন্ট্রি (বন্দরে প্রবেশের পর) ভিসার সুযোগ নিয়ে এই চক্র প্রথমে মানবপাচার করছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও বালিতে। পরে জাভা সাগর পাড়ি দিয়ে প্রথমে মালয়েশিয়ায় পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। সুযোগ পেলে অস্ট্রেলেশিয়ায় (অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নিউ গিনি ও তৎসংলগ্ন কিছু প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ) পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের কালো তালিকাভুক্তরা ইন্দোনেশিয়া হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। বিমানবন্দরের মাধ্যমে ঢুকতে পারবেন না- এমনটা জেনে ঝুঁকিপূর্ণ নতুন রুটের আশ্রয় নিচ্ছে কিছু বাংলাদেশি তরুণ। সর্বশেষ গ্রেপ্তারকৃতদের সঙ্গে আলাপ করে বাংলাদেশ দূতাবাস জেনেছে, আটককৃত ৫০ জন বাংলাদেশির বয়স ২০ থেকে ৪৫ এর মধ্যে হবে। এদের অনেকে আগে মালয়েশিয়ায় ছিল। অবৈধভাবে কাজ করা বা কাজের অনুমোদন and nbsp; মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ কারণে তাদের নাম ওঠে কালো তালিকায়। ফলে তাদের বৈধ পথে মালয়েশিয়ায় আসার সুযোগ ছিল না। এর আগে ২০১৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশি পর্যটকদের বিনা ভিসায় ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণের সুবিধা দেয়া হয়। এ সময় বলা হয়, ৩০ দিন অবস্থানের জন্য বাংলাদেশিদের ইন্দোনেশিয়ার বিমানবন্দরে ৩০ ডলার পরিশোধ করতে হবে। সঙ্গে হোটেল বুকিং, ফিরতি বিমান টিকিট ও আর্থিক সচ্ছলতার কাগজপত্র থাকতে হবে। বালি ও জাকার্তা বিমানবন্দর দিয়ে ভিসা ছাড়া প্রবেশের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এ কারণে সহজেই ইন্দোনেশিয়া প্রবেশে বেগ পেতে হচ্ছে না আদম পাচারকারী চক্রের। এর ষোলআনা সুযোগ নিচ্ছে চক্রটি। and nbsp; and nbsp; </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516215515_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: দেশে ডাক্তারের সংখ্যা বাড়ছে। সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে গত পাঁচ বছরে গড়ে ৫ হাজার করে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী এমবিবিএস পাস করেছেন। আগামী ৩ থেকে ৪ বছর গড়ে ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার শিক্ষার্থী ডাক্তারি পাস করে বের হবে। পূর্ববর্তী পাঁচ বছরে প্রতি বছর গড়ে ৪ হাজার শিক্ষার্থী এমবিবিএস পাস করে বের হয়েছিল। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।<br>চিকিৎসা শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে ডাক্তারের সংখ্যা বৃদ্ধি আপাতদৃষ্টিতে সুখবর হলেও অদূর ভবিষ্যতে তা মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে। গত পাঁচ বছরে ২৫ হাজার শিক্ষার্থী ডাক্তারি পাস করে বের হলেও তাদের মধ্যে কতজন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শিক্ষা গ্রহণ করে ‘দক্ষ ডাক্তার’ হয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।<br>বিএমডিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত মোট ডাক্তারের সংখ্যা ৯৩ হাজার ৭৬৩ জন। এর মধ্যে এমবিবিএস ৮৫ হাজার ৬৩৩ জন ও ডেন্টাল ডাক্তারের সংখ্যা ৮ হাজার ১৩০ জন।<br>স্বাস্থ্য অধিদফতর (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখা) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সারা দেশে সরকারি পর্যায়ে ৩১টি ও বেসরকারি পর্যায়ে ৬৯টিসহ মোট ১০০টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। সরকারি ৩১টিতে আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৩২০ ও বেসরকারিতে ৬ হাজার ২০৫টি আসন রয়েছে। চিকিৎসা শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে মেডিকেল কলেজ পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই। বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন নীতিমালার আলোকে সব মেডিকেল কলেজ পরিচালিত হচ্ছে।<br>অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ মেডিকেল কলেজেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই। এছাড়া প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক, শিক্ষা উপকরণ, ল্যাবরেটরি সুযোগ সুবিধা, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ও শয্যানুপাতে রোগী থাকে না। ফলে পাঁচ বছরের কোর্সে পড়াশোনা শেষ করে প্রায় শতভাগ এমবিবিএস পাসের সার্টিফিকেট পেলেও তারা হাতে-কলমে কতটুকু শিখে ডাক্তার হচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।<br>বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি ও জাতীয় স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলন জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহবুব-ই-রশীদ এ প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমানে সরকারি মেডিকেল কলেজেই এনাটমি, ফিজিওলজি, এনেসথেসিওলজিসহ বিভিন্ন মৌলিক বিষয়ে শিক্ষকের তীব্র সংকট চলছে। আর বেসরকারি মেডিকেল কলেজে তো শিক্ষক নেই বললেই চলে। তিনি বলেন, চিকিৎসা শিক্ষা কোনো পণ্য নয়। সুতরাং যে কোনো মেডিকেল কলেজ অনুমোদন দেয়ার আগে অবশ্যই নীতিমালা অনুযায়ী দেয়া উচিত।<br>স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ বলেন, মেডিকেল কলেজ বিশেষ করে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে পড়াশোনার গুণগত মান বজায় রাখতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর তীক্ষ্ণ নজরদারি করছে। গত দুই বছরে নতুন কোনো মেডিকেল কলেজ অনুমোদন দেয়া হয়নি। যেগুলোর অনুমোদন রয়েছে সেগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষক ও শিক্ষা উপকরণ না থাকায় শিক্ষার্থী ভর্তি স্থগিত রাখা হয়েছে। এ উদ্যোগের ফলে চিকিৎসা শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।<br>বিএমডিসির রেজিস্ট্রারের কাছে গত ৫ বছরে প্রায় ২৫ হাজার ডাক্তার পাস করে বের হওয়ার তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী ডাক্তারি পাস করেছে। তবে তাদের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516215098_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপনির্বাচন ও সম্প্রসারিত ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচনে আইনি জটিলতা নিয়ে আশঙ্কা ছিল নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যেও ছিল একই ধরনের শঙ্কা। এ নিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদনও হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন (ইসি) বারবার বলে এসেছে, নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আইনি কোনও জটিলতা নেই। and nbsp; বিষয়টি আমলে না নিয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। শেষ পর্যন্ত শঙ্কাই সত্যি হলো। এ বিষয়ে রিট হওয়ায় বুধবার (১৭ জানুয়ারি) উচ্চ আদালত ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচন ও সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করে আদেশ দিয়েছেন। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল।<br>উচ্চ আদালতের আদেশের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা জানান, যে গ্রাউন্ডে আদালত আদেশ দিয়েছেন, সেই সমস্যার বিষয়টি তারা আগেই চিহ্নিত করেছিলন। কিন্তু সরকার ও কমিশন তা আমলে না নিয়ে তফসিল ঘোষণা করায় আজ এই সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এতে করে ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের জনগণ।<br>নির্বাচন স্থগিত হওয়ার জন্য নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা সরকার ও নির্বাচন কমিশন— দু’‘পক্ষকেই দায়ী করেছে। এক্ষেত্রে দু’পক্ষের যোগসাজশ রয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও তোলেন তারা। এদিকে সরকার নির্বাচন স্থগিতের জন্য নির্বাচন কমিশনের ওপর দায় চাপিয়েছে। and nbsp; অন্যদিকে, কমিশন বলেছে, আইনি বিষয়টি পর্যালোচনার পর কোনও সমস্যা হবে না বিবেচনায় নিয়ে তারা তফসিল ঘোষণা and nbsp; দিয়েছে।<br>দু’জন নির্বাচন কমিশনার তফসিল ঘোষণার আগে আলাপকালে আইনি জটিলতার কথা স্বীকার করেছিলেন। একজন কমিশনার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছিলেন, তারা আইনি জটিলতা রেখে তফসিল দিয়ে নিজেদের ঘাড়ে দায় নিতে চান না।<br>কিন্তু and nbsp; শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। আইনি জটিলতা রেখেই তফসিল দেওয়া হয়। তফসিল ঘোষণা করে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেছিলেন, ‘এই নির্বাচনে আইনগত বাধা নেই।’<br>ইসি সূত্র জানায়, এই জটিলতা তৈরি হওয়া নিয়ে and nbsp; ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যেও আশঙ্কা ছিল। গত ডিসেম্বরে তফসিল ঘোষণার আগে এই নির্বাচন নিয়ে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের কার্যপত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ভোটার তালিকা, নতুন ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণ, নতুন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের মেয়াদ সম্পর্কিত জটিলতাসহ ছয়টি বিষয় বিবেচনা করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু and nbsp; বৈঠকে এই বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়নি।<br>স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘যে গ্রাউন্ডে রিট রয়েছে এবং আদালত আদেশ দিয়েছে, সেটা তো জেনুইন। আমরাও আগেই এগুলোর কথা তুলেছিলাম। কিন্তু তারা এর সুরাহা না করে কেন তফসিলে গেলেন।’ তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,‘এটা সরকারের ইচ্ছায় করেছে কিনা জানি না। বা আদৌ তারা নির্বাচন চায় কিনা জানি না। যদি রাজনৈতিক মোটিভেশনে হয়, তাহলে আমার কিছু বলার নেই।’<br>ড. তোফায়েল বলেন, ‘যারা ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করবেন, তাদের মেয়াদ কতদিন হবে, তা আপনারা বলেননি। এই ওয়ার্ডগুলো সিটি করপোরেশনে যুক্ত হয়েছে ২০১৬ সালে। এত দিনে কেন এর ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা যায়নি। এগুলো না করে তারা কোন যুক্তিতে ভোটে গেলেন। সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটাও পরিষ্কার নয়। এগুলো স্পষ্ট না করে আধাখেচড়াভাবে নির্বাচনে গিয়েছে।’<br>বিষয়টির জন্য সরকার ও কমিশন উভয়কে দায়ী করে এই নির্বাচন বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যেটা হয়েছে তার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন দু’পক্ষেরই দায় রয়েছে। তাদের এই বিষয়গুলো আগেই ঠিক করে নেওয়া উচিত ছিল।’<br>তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোর নির্বাচন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সরকার ও কমিশন দুপক্ষই উদ্যোগ নিয়ে আইনি জটিলতা মোকাবিলা করে দ্রুত ডিএনসিসি’র উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেবে বলে আশা করছি।’<br>সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসেন বলেন, ‘ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হবে ৩১ জানুয়ারি। নতুন যারা ভোটার, তাদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে। তেমনি তাদের প্রার্থী হওয়ারও সুযোগ রয়েছে। কাজেই এর আগে তফসিল ঘোষণা করা সঠিক হয়নি। আর এ কারণে আদালতের আদেশকে আমি সঠিক বলেই মনে করি।’<br>তিনি বলেন, ‘কমিশন যদি নির্বাচন করতে আন্তরিক হয়, তাহলে তাদের উচিত হবে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত প্রকাশের পর তার সিডি প্রকাশ করা। এরপর আদালতকে অবহিত করে ভোটের উদ্যোগ নিতে পারে।’<br>সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আদালতের আদেশে ভোট স্থগিত হয়ে গেল। এর জন্য কে দায়ী? সরকার নাকি নির্বাচন কমিশন? জানতে চাই, কেন মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হলো?’<br>তিনি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, এখনও ওই কথাটি রিপিট করছি, সরকার ও কমিশন আগে থেকে উদ্যোগী হলে আজকের সমস্যায় পড়তে হতো না। বিষয়টি নিয়ে আমি গণমাধ্যমে নিবন্ধও লিখেছি। এর সমাধানের পরামর্শও আমি সেখানে বলেছি।’ অবশ্য আদালত চাইলেও একটি সমাধান দিতে পারতেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।<br>ডিএনসিসির নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন প্রকারান্তরে নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘হাইকোর্ট কেন নির্বাচন স্থগিত করেছেন তা আমি জানি না। বিষয়টি আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তবে লোকমুখে শুনেছি, ভোটার লিস্ট সম্পন্ন হয়নি এবং সীমানা নির্ধারণ করা হয়নি।’<br>নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচন করা ইসির দায়িত্ব। স্থানীয় সরকার থেকে এসব নির্বাচন করার জন্য অনুরোধ পেয়েছে ইসি। সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনও বাধা নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।’ </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516214541_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ডেস্ক রিপোর্ট: মার্কিন চলচ্চিত্র দুনিয়া হলিউডে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব। সম্প্রতি and nbsp; সিনেমা প্রদর্শন ও নির্মাণ নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ বিনিয়োগে আগ্রহী হয়েছে আরব দেশটিতে। এ জন্য তারা হলিউডের প্রখ্যাত ও সফল কোন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে।<br>গত মাসে এক সিদ্ধান্তে সিনেমা প্রদর্শনে প্রায় ৩০ বছরের অধিক সময়ের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় সৌদি আরব। এ ছাড়াও সিনেমা নির্মাণের দিকেও ধাবিত হচ্ছে দেশটি।<br>এ জন্য দেশটি হলিউডের কলাকুশলী, শিল্পী ও তারকাদের সাথে চুক্তি সম্পাদনের প্রভাবশালী এজেন্সি এন্ডেভোরের সাথে আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে। তারা কোম্পানিটির শেয়ার ক্রয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এন্ডেভোর হচ্ছে নির্মাতা, সম্পাদক, পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী, অভিনেতাদের সাথে চুক্তি করতে সহায়ক প্রতিষ্ঠান।<br>সৌদি আরবের বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ (পিআইএফ) কোম্পানিটির ৫ থেকে ১০ শতাংশ শেয়ার কিনতে চায় বলে জানা গেছে।<br>এদিকে, সৌদি আরবের জেদ্দায় আজ প্রথমবারের মতো হলে সিনেমা প্রদর্শিত হয়। একই সময়ে এক অস্থায়ী থিয়েটারে শিশুদের জন্য প্রদর্শিত হয় এনিমেটেড মুভি। অবশ্য সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে থিয়েটার শুরু হবে মার্চ থেকে।<br>সৌদিতে ১৯৮০ সালের দিকে ইসলামপন্থিদের চাপে সিনেমার ওপর নিষেধাজ্ঞা আনে সৌদি। তারপর থেকেই দেশটিতে সিনেমা দেখার কোনো সুযোগ ছিল না। সৌদি আরব ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে ভিশন ২০৩০ পূরণে নারী ক্ষমতায়ন ও মুক্ত বিনোদনের ওপর জোর দিচ্ছে। এর ফলে বিনোদনের জন্য সিনেমার দুয়ার উম্মুক্ত হল রক্ষণশীল আরব দেশটিতে। </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516214258_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের বেশ কিছু শহরে উবারমটো সার্ভিস শুরু করার পর সে সব শহরের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হয়ে উঠছে। ফলে উবারমটোর জনপ্রিয়তা ব্যপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।<br>সাশ্রয়ী মূল্যের যাতায়াত মাধ্যম হওয়ায় সম্প্রতি ঢাকাতেও মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক দেশীয় সংস্থাও এখন রাইডশেয়ারিং সার্ভিস শুরু করছে।<br>ঢাকায় যাতায়াত করার জন্য কোন সার্ভিস ব্যবহার করবেন এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না। তাহলে উবারমটোর ৫টি ফিচার সম্বন্ধে জানুন। এগুলো আপনার চিন্তা দূর করে উবারমটো ব্যবহারে আপনাকে উদ্বুদ্ধ করবে।<br><br>নিরাপত্তাই প্রথম শর্ত<br><br>আইন অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে ভ্রমণের সময় হেলমেট পরা বাঞ্ছনীয়। বাইকশেয়ারিং করার সময় হেলমেট পরার বিষয়টি উবার নিশ্চিত করে। এছাড়াও উবারমটোতে আপনি পাবেন ‘শেয়ার স্ট্যাটাস’, লাইভ জিপিএস ট্র্যাকিং, ভেরিফাইড পার্টনার এবং টু-ওয়ে ফিডব্যাক সিস্টেম –এর মতো ফিচারসমূহ।<br>যাতায়াত করার সময় উবারের ‘শেয়ার স্ট্যাটাস’ এবং ‘লাইভ জিপিএস ট্র্যাকিং’ ফিচার আপনার আপন জনদের নিশ্চিন্তে রাখে। এই ফিচারের সাহায্যে আপনি নিজেই দেখতে পারবেন যে আপনি কোথায় যাচ্ছেন এবং কোন পথ দিয়ে যাচ্ছেন।<br>উবারের অ্যাপে ন্যাশনাল হেল্পলাইন নাম্বার ৯৯৯ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাপ থেকেই আপনি হেল্পলাইন নাম্বারে কল দিতে পারবেন এবং নিয়োজিত প্রতিনিধিরা তৎক্ষণাৎ আপনার সাহায্যার্থে এগিয়ে আসবে।<br>এই হেল্পলাইনের মাধ্যমে আপনি অ্যাম্বুলেন্স (১ ডায়াল করুন), ফায়ার সার্ভিস (২ ডায়াল করুন), পুলিশ (৩ ডায়াল করুন) অথবা সরাসরি সরকারি কর্মকর্তাদের (০ ডায়াল করুন) সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।<br><br>টু-হুইলারের আধিপত্য<br><br>আপনি কি টু-হুইলারে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, কিন্তু কখনো ভ্রমণের সুযোগ হয় নি? এবার তাহলে এই অপশনটি আপনার আশা পূরণের সময় এসেছে।<br>বাজারের সর্বাধুনিক মোটরসাইকেলগুলো এখন উবারমটোর সাথে যুক্ত আছে। উবারের সাথে যে সব মোটরসাইকেল যুক্ত হয়েছে তার মধ্যে আপনি পাবেন হিরো গ্ল্যামার, হোন্ডা ড্রিম নিও, হোন্ডা সিবি ট্রিগার ইত্যাদি।<br><br>দ্রুত এবং সাশ্রয়ী<br><br>আপনার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পুরোটা পথ অথবা কিছুটা অংশে উবারমটো ব্যবহার করতে পারেন এবং সেক্ষেত্রেও ভাড়া নিয়ে কোনোরূপ বাকবিতণ্ডার প্রয়োজন হবে না।<br>উবার অ্যাপে ভাড়া নির্ধারণ করা হয় সময় (প্রতি মিনিট ১ টাকা) এবং যতটুকু দূরত্ব ভ্রমণ করবেন (প্রতি কিমি. ১২ টাকা) তার উপর। সাথে যুক্ত থাকে ‘বেস ফেয়ার’। যার ফলে উবারমটো ব্যবহার করা অত্যন্ত সাশ্রয়ী।<br><br>প্রত্যেক রাইডের জন্য একই ফিচার<br><br>উবারের অন্যান্য সার্ভিসের মতো উবারমটোতেও আপনাকে আপনার কাঙ্ক্ষিত স্থান থেকে পিক করা হবে।<br>উবারমটোতে ভ্রমণের সময় উবার অ্যাপের সকল ফিচার আপনি উপভোগ করতে পারবেন। রেটিং সিস্টেম, জিপিএস ট্র্যাকিং, ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৯৯৯ এবং ট্রিপের তথ্যের মতো ফিচার আপনার উবারমটোতে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে।<br><br>কিছু পরামর্শ<br><br>মোটরসাইকেল চালানোর সময় ভারসাম্য ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। বসার সময় খেয়াল রাখুন যেন ঠিক মাঝ বরাবর বসেছেন যাতে ভারসাম্য বজায় থাকে এবং হেলমেটটি পরে নিন। সতর্কতার সাথে বসুন এবং রাইডটি উপভোগ করুন।<br><br> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1516213530_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">যারা বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, তাদের লিস্টে দক্ষিণ কোরিয়াও থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। হবে পারে এবার ছুটিতে ঘুরে যেতে চাইছেন কোরিয়ায়। তাই যদি আপনার পরিকল্পনা হয় সেটা তবে আপনাকে আগে থেকেই জেনে নিতা হবে সেই দেশের কিছু রীতিনীতি। কারণ যেটা আপনার দেশে ভালো চোখে বা আনন্দের বিষয় হিসেবে দেখা হয় সেটা অন্য দেশে তার উল্টোটা হবে এতাই স্বাভাবিক। ঠিক তেমনেই দক্ষিণ কোরিয়াতেও কিছু কিছু নিয়ম আছে যা ট্যুরিস্টরা করলে তারা ভালো চোখে দেখেন না। তাই আসুন ঠিক কোন কোন বিষয় সম্পর্কে কোরিয়ায় যাওয়ার আগেই জানা উচিত আপনার।<br>কোরিয়ান ভাষা: কোরিয়ায় যাওয়ার আগে একটা জিনিস অবশ্যই খানিকটা হলেও শিখুন। আর সেটা হল কোরিয়ান ভাষা। ভাবছেন বিশ্বায়নের যুগে ইংরেজি কে না জানে! কিন্তু অবাক করার মতন ব্যাপার হলেও সত্যি যে কোরিয়ার বাচ্চারা বেশ ভালো ইংরেজি জ্ঞান রাখলেও বয়স্করা কিন্তু একেবারেই তাতে অভ্যস্ত না।<br>ভিসা: দক্ষিণ কোরিয়ায় তিন মাসের বেশি প্রবেশ ও ঘোরার জন্যে ভিসা দেওয়া হয়না। কাজের জন্যে যেতে হলে আপনার দরকার হবে ই-২ ভিসা আর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।<br>প্রতিষেধক: দক্ষিণ কোরিয়ায় কাজের জন্যে ঢুকতে চাইলে প্রথমেই তারা আপনার শারীরিক কোনো সমস্যা আছে কিনা সবকিছু দেখে-শুনে তবে ছাড়পত্র দেবে তারা। আর তাই এই ক্ষেত্রে থাকুন সাবধান। তবে কোরিয়ায় কোন ঔষুধের জন্যে ডাক্তারের কাছে না যাওয়ার চেষ্টা করুন। ভ্রমণের জন্যে গেলে নিজের সাথেই যতটা দরকার বহন করুন। কারণ এখানকার ঔষধগুলো যথেষ্টরকম কার্যকরী হয়। যেমন ধরুন, ডায়রিয়ার জন্যে ডাক্তারের দেওয়া অষুধ খেলে পরের কয়দিন হয়তো বাথরুমেই যেতে হবেনা আপনাকে আর!<br>যানবাহন: কোরিয়ায় রয়েছে বাস, প্লেন, ট্যাক্সির ভালো বন্দোবস্ত। তবে দ্রুত ও সহজে চলাচল করতে হলে উঠে পড়ুন রেলে। এখানে তিন ধরনের রেল রয়েছে। আর সেগুলো হচ্ছে কেটিএক্স, সেয়ামুল ও মুগাঙঘুয়া। ব্যস্ততা থাকলে উঠে পড়ুন কেটিএক্সে।<br>টিপস দেওয়া: সাধারণত মাঝে মাঝেই রেষ্টুরেন্টে গিয়ে খানিকটা টিপস দিতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি এখন আমরা। এছাড়াও নানা কাজে মানুষকে সম্মান হিসেবেই টাকা দিয়ে থাকি আমরা। এতে তারা খুশিও হয়ে ওঠে। আর বিদেশে যে ট্যাক্সিতে চড়লে, হোটেলে উঠলে কিংবা রেষ্টুরেন্টে খেলে খানিকটা টিপস দিতেই হবে যেটা জানা ব্যাপার। কিন্তু কোরিয়াতে সেটা একেবারেই আলাদা। এখানে আরো টিপস দেওয়ার ব্যাপারটাকে অনেক বেশি অপমানজনক হিসেবে নেওয়া হয়।<br>খাবার: কোরিয়ায় গেলে না জেনে খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে অপরিচিত কোন খাবার। নিজেদের পৌরুষকে শানিয়ে তুলতে ও আরো নানারকম কারণে এমন অনেক খাবার খায় তারা যেটা আদতেও মুখে দেবার মতন নয়। আপনারই বা আর দোষ কি? কি করে বুঝবেন যে বন-ডেয়াগি নামের খাবারটি আসলে পোকা দিয়ে তৈরি একটি পদ? আর তাই আগে থাকতেই এড়িয়ে চলুন।<br><br> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/12/21/1513936885_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">কুমিল্লা: আসছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ৮ ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের সাথে মত বিনিময় সভা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. জাহাংগীর আলম। গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দাউদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে জেলা প্রশাসক মো. জাহাংগীর আলম উপস্থিত প্রার্থীদের অভিযোগ শুনতে চান। এসময় উপজেলার আদ্রা উত্তর ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী (মোরগ প্রতীক) মুজাহিদুল হক স্বপন ডিসির উদ্যেশ্যে বলেন গত ১৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে আমাদের বাড়ীতে (মেরকট গ্রাম) পুলিশ পরিচয়ে ১০-১৫ জনের একটি দল এসে আমার ভাই মামুনকে খুঁজতে থাকে। তাঁকে না পেয়ে ঘরে থাকা তাঁর স্ত্রী ও অন্যান্য নারী সদস্যদের গালাগাল করে হুমকি দামকি দিয়ে যায়। পরে আমরা থানায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ওই রাতে থানা পুলিশের কোন টিম আমাদের গ্রামে আসেনি। এছাড়াও বিভিন্ন সময় আ’লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাজুল ইসলামের লোকজন প্রতিদিন ভয়ভীতি প্রদর্শণ করছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তাঁর প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন এ ঘটনায় আপনি থানায় কোন জিডি করেছেন। উত্তরে ওই প্রার্থী বলেন না জিডি করিনি। তবে টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার সাংবাদিকরা আমাদের বাড়ীতে গিয়েছে এবং সংবাদ প্রকাশ করেছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এর উত্তরে ডিসি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে আন্ডা হবে আন্ডা। এরপর ওই প্রার্থী বসে যান। ডিসির এমন অশালীন বক্তব্যে সাংবাদিক সমাজে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ বিষয়ে সদস্য পদ প্রার্থী মুজাহিদুল হক স্বপন বলেন, আসলে আমি ডিসি স্যারের মন্তব্যে হতাশ। কেননা আমি স্যারকে বুঝাতে চেয়েছি যে আমি জিডি করিনি কিন্তু সাংবাদিকরা এ ঘটনা জেনেছে এবং সংবাদ প্রকাশ করেছে। এর মানে হলো গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসী ও প্রশাসন বিষয়টি জেনেছে বা অবগত আছে। অতএব আমরা এর প্রতিকার পেতে পারি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. জাহাংগীর আলম তাঁর বক্তব্যে উক্তিটি করার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার মূল বক্তব্য হলো এ ঘটনার পর তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যাবে, থানায় জিডি করবে। কিন্তু তিনি তা না করে সংবাদ সম্মেলন করেছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা ছাড়া সংবাদ সম্মেলনের ফল হবে আন্ডা, অর্থাৎ শূণ্য। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, ওই লোক (সদস্য পদ প্রার্থী মুজাহিদুল হক স্বপন) থানায় জিডি না করে কি ভুল করেননি। আমার এই বক্তব্য অন্যভাবে দেখার কোন সুযোগ নেই। আমি ভালো উদ্দেশ্যে এ কথা বলেছি। and nbsp; and nbsp; and nbsp; and nbsp; and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এসময় ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার শাহ মো: আবিদ হোসেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাছান, নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো: আব্দুস সালাম সহ ৮ ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীগণ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উল্লেখ্য, এরআগে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক জাহাংগীর আলমের অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে সাংবাদিকরা সভা বর্জন করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছিলেন। and nbsp;</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1513851093_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার টুইটার অ্যাকাউন্টে দাবি করেছেন, দেশে গত ১০ বছরে কমপক্ষে প্রায় ৭৫০ জন গুম হয়েছে। আর এই গুম করেছে সরকারি বাহিনী। তিনি এর অবসান কামনা করেছেন টুইটে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) তিনটার দিকে তিনি তার অ্যাকাউন্ট থেকে এ টুইট করেন। তার মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">খালেদা জিয়া তার টুইটে গুমের জন্য সরকারি বাহিনীকে দায়ী করলেও কোনও নির্দিষ্ট বাহিনীর নাম উল্লেখ করেননি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">টুইটে খালেদা জিয়া বলেন, ‘২০১৩’র কাল ডিসেম্বরে ১৯ জন বিএনপি কর্মীকে গুম করা হয়েছিল, আজও তারা ফেরেননি। গত ১০ বছরে কমপক্ষে প্রায় ৭৫০ জন গণতন্ত্রকামী কর্মীকে গুম করেছে সরকারি বাহিনী। গুমের শিকার মানুষের সন্তান, পিতা-মাতা, স্ত্রীর কান্নার রোল থামছে না। এর অবসান চাই।’</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1513848522_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ডাবলিন: আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন কাউন্টি আওয়ামীলীগ, আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ ও কর্মীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ডাবলিন আওয়ামীলীগের সম্মেলন অত্যন্ত সফলভাবে ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গত ১৮-ই ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে সম্পন্ন হয়েছে।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরান, গীতা পাঠ ও জাতীয় সংগীতের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করা হয়।১৯৭১ সালের and nbsp; বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ, নিহত ও and nbsp; সম্ভ্রম হারা মা বোনদের and nbsp; জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা সহ সকল বীর যোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করতে গিয়ে সমীর কুমার বলেন, আমাদের বিজয় দিবসের চেতনা অর্থবহ করে তুলতে হলে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। যা থেকে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে দূরে চলে যাচ্ছে।তিনি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের নিন্দা জানান।অনুষ্ঠানের সবাই তার মতামতের প্রতি সহমত প্রকাশ করেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ডাবলিন আওয়ামীলীগের সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের আইরিশ পার্লামেন্টের প্রতিনিধিত্বকারী স্থানীয় ডাবলিনের এম.পি- মৌরিন ও'সুলিভান। তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে and nbsp; সকল বাংলাদেশীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন ইতিহাসগত ভাবে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা সংগ্রাম এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ও অনেক শহীদের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাই আপনারা যে যেখানেই থাকুন, যে দেশেরই নাগরিক হোন না কেন স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলুন। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে and nbsp; তিনি ১৯৭১ সালের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতাও and nbsp; পালন করেন। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন বলেন, আজকের এই ডাবলিন আওয়ামীলীগের সম্মেলনে আয়ারল্যান্ডের আওয়ামী পরিবারের সকলে মিলে উপস্থিত হতে পেরে আনন্দিত। ডাবলিন আওয়ামীলীগের সম্মেলন সে সুযোগ তৈরী করে দেওয়ায় তিনি তাদেরকে ধন্যবাদ জানান। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক ও আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা রফিক খান সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গঠিত হবে। তিনি আয়ারল্যান্ডের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে বিএনপি জামায়াতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান জানান। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা জনাব কিবরিয়া হায়দার বলেন, ডাবলিন আওয়ামীলগের এই সম্মেলন অবশ্যই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে সাহায্য করবে।আগামীদিনে আওয়ামীলীগের কর্মকান্ডকে আরো গতিশীল করবে। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সম্মেলনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ডাবলিন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক অলক সরকার তার বক্তব্যে বলেন, আগামী নির্বাচন কে সামনে রেখে দলীয় কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে ও দলকে ঐক্যবদ্ধ and nbsp; রাখার ক্ষেত্রে and nbsp; ডাবলিন আওয়ামীলীগ ভালো ভূমিকা রাখতে পারে এবং তা রাখবেও।তিনি বিগত দিনের ডাবলিন আওয়ামীলীগের কিছু কার্যাবলীর বিবরণ দেন। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সর্বশেষ বক্তা সম্মেলনের সভাপতি জনাব ফিরোজ হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধ রাখতে আমাদের ভূমিকা অবিচল থাকবে। আমরা আগামী দিনে দলের জন্য আরো ভালো কাজ করতে সক্ষম হবো।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এরপর প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলক প্রার্থীতার মধ্যে কমিটি ঘোষণা করা হয়।বিপুল করতালি ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ডাবলিন আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে জনাব ফিরোজ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়। সাধারণ সম্পাদক পদে মিনহাজুল শাকিলের নাম উচ্চারণ করা হলেও তার অনুপস্থিতে ডাবলিন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অলক সরকারের নাম ঘোষণা করা হয়। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উপস্থিত বিভিন্ন কাউন্টি আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিক নবনির্বাচিত সভাপতি ফিরোজ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলক সরকারকে শুভেচ্ছা জানান।নব নির্বাচিত কমিটির সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন তাদের নেতৃত্বে আগামীর ডাবলিন আওয়ামীলীগ এগিয়ে যাবে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উপরোক্ত বক্তারা ছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফয়জুল্লাহ শিকদার, কামরুজ্জামান নান্না, আরমান কাজী ,মিজানুর রহমান, সৈয়দ বিপুল, বরুন বাবু, আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম অরণ্য,গলওয়ে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সমীর জসিম, আয়ারল্যান্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি তৌহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক এ.আর.নয়ন, আয়ারল্যান্ড ছাত্রলীগের সভাপতি নোমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রিব্বী ইসলাম, সহ-সভাপতি হাসান হাসিব,সালাউদ্দিন ভূঁইয়া ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজীব নাজমুল, মোস্তাফিজ রউফ জুয়েল, কাউন্টি ওফেলি থেকে আগত মনিরুজ্জামান শুভ্র। and nbsp; and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডাবলিন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হক রুমন, কাউন্টি ওফেলি থেকে আগত দেবেশ কর্মকার।সদস্যের মধ্যে ছিলেন, শিশির ইসলাম, সাব্বীর হোসেন, শফিকুর রহমান, প্রবীর সরকার, রুয়েল, বাবু, জনি আহমেদ, রুবেল, বাবু-২, খাইরুল ইসলাম পায়েল, শফিকুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, সঞ্জয় মজুমদার, দীপন পুরকায়স্থ,নাজমুল হক, মো: সুমন, সাজ্জাদুর রহমান সহ প্রমুখ।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1513767629_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে কাউকে প্রভাব বিস্তার ও কেন্দ্র দখলসহ কোনও ধরনের অরাজকতা করতে দেওয়া হবে না জানিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আর and nbsp; যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াডসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে র‌্যাব। ভোটকেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সিটি করপোরেশন এলাকায় হেলিকপ্টার টহলও দেবে সংস্থাটি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বুধবার দুপুরে সিটি নির্বাচন উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি এবং র‌্যাবের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সকালে রংপুর পুলিশ লাইন মাঠে নির্বাচনি সরঞ্জাম গ্রহণ এবং ভোটকেন্দ্রে সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুখ, রিটার্নিং অফিসার সুভাষ চন্দ্র সরকার, রংপুরের জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুজ্জামান ও পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ডিআইজি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ২৪ জন পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্য থাকবেন। এর মধ্যে ১৪ জন সশস্ত্র অবস্থায় থাকবেন। এছাড়াও পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রের জন্য থাকবে পুলিশ, বিজিবি র‌্যাবের সমন্বয়ে ভ্রামমাণ ইউনিট। এ ছাড়াও প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও থাকবেন। তিনি জানান, জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটসহ সব স্তরের কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবেন। কোনও কেন্দ্রে কোনও ধরনের গোলযোগ হলে যাতে দুই মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে যাওয়া সম্ভব হয় সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি বলেন, কোনও বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদে যেতে পারেন আবার ভোট দিয়ে নিরাপদে ফিরে আসতে পারেন তার জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি বলেন, ভোট দেওয়া প্রত্যেকের গণতান্ত্রিক অধিকার। এ অধিকার থেকে যাতে কাউকেই বঞ্চিত করার অপচেষ্টা কেউ না করে সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">রিটার্নিং অফিসার সুভাষ চন্দ্র সরকার জানান, দেশে-বিদেশে রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন কেমন হয় তা দেখতে মানুষ অপেক্ষা করছে। আমরা নির্বাচন নিরপেক্ষ অবাধ ও সুষ্ঠু করতে যে কোনও ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। প্রভাবশালী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যেই হোক-কাউকেই এক চুল ছাড় দেওয়া হবে না।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুজ্জামান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের অবস্থান ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে দেশে-বিদেশের শত শত টেলিভিশন ক্যামেরা আর সাংবাদিক। কেউ এমন কোনও কাজ করবেন না যেন বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, আমরা অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য যে কোনও ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত রয়েছি। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">পরে দুপুর ১ টা থেকে নির্বাচনি সরঞ্জাম প্রিসাইডিং অফিসারদের কাছে বিতরণ করা শুরু হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এদিকে, র‌্যাবের পক্ষ থেকে দুপুরে নগরীতে মোটর সাইকেল ও গাড়ি নিয়ে মহড়া করা হয়। পরে নগরীর পায়রা চত্বরে প্রেস ব্রিফিং করেন র‌্যাব-১৩ এর অধিনায়ক কমান্ডার আতিকুল্লা ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি বলেন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে র‌্যাবের টহল টিম কাজ করবে। এছাড়াও পুরো নগরী টহল দেবে র‌্যাবের টিম।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি জানান, যে কোনও অরাজক পরিস্থিতি ঠেকাতে র‌্যাবের হেলিকপ্টার ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড কাজ করবে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোট দিতে পারেন সে জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1513767333_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ফরিদপুর: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মাদ মোবাশ্বের হাসান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সালথার উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের দিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল হাসান জানান, জেলা প্রসাশকের কার্যালয় প্রশাসনিক সভায় যোগ দিতে সালথা থেকে ফরিদপুরে যাচ্ছিলেন ইউএনও মোবাশ্বের হাসান। পথিমধ্যে একটি ভ্যানকে সাইড দিয়ে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায় তাকে বহনকারী সরকারি জিপ গাড়ি। এতে তিনি ও গাড়ির চালক হাসমত ও অফিস সহকারি আহত হয়েছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আরো বলেন, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোবাশ্বের হাসানের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎককেরা। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের তত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, আহত ইউএনও মাথায় ও কোমরে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রভাংশু সোম মহান জানান, মোবাশ্বের হাসানের মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তিনি আশঙ্কামুক্ত নন। তাই উন্নত চিকিৎসকার জন্য হেলিকপ্টার যোগে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ঢাকায় তাকে ন্যাশনাল নিউরো সাইন্স হসপিটালে ভর্তি করা হবে বলে জানান তিনি।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1513766381_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সম্পদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ায় খালেদা জিয়ার আইনজীবী এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার ডাকযোগে এটি পাঠানো হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মাহবুব উদ্দীন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশে খালেদা জিয়ার কোনো শপিং মল বা সম্পদ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য খালেদা জিয়ার জন্য মানহানিকর। তাঁর এই বক্তব্য প্রত্যাহার না করা হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ৩০ দিনের মধ্যে এই বক্তব্য প্রত্যাহারে ব্যবস্থা নিতে নোটিশে বলা হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">কম্বোডিয়া সফর সম্পর্কে বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে ৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের বিষয়ে বলেন, বিদেশে বিভিন্ন দেশে তাদের অবৈধ টাকার বিষয়টি বের হয়ে আসছে। এগুলো তো বাংলাদেশ সরকার করছে না। কাজেই ক্ষমা তাদেরই চাওয়া উচিত। সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার অর্থ নিয়ে এ দেশের গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কি সৌদি আরবে সেই শপিং মলে বিনা পয়সায় শপিং করার জন্য কার্ড পেয়েছেন। দু-একটি ছাড়া কোনো পত্রিকা-টেলিভিশনে তো রিপোর্ট দেখলাম না। আপনাদের এত দুর্বলতা কিসের জন্য। আমার নাম এলে কী করতেন? সৎসাহস হলো না রিপোর্ট দেওয়ার।’ তিনি বলেন, যারা এত সম্পদের মালিক, তারা জানে মুখ বন্ধ কীভাবে করতে হয়। মুখে ‘রসগোল্লা’ ঢুকিয়েছে। আপনাদের (সাংবাদিকদের) প্রশ্নের উত্তর কেন দেব?</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">গতকাল মঙ্গলবার খালেদা জিয়া তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের মাধ্যমে আইনী নোটিস পাঠিয়েছেন। বুধবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">খালেদা জিয়ার পাঠানো ওই আইনি নোটিসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যা বলা হয়েছে পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো-</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিরোধী দলের নেতা হিসেবেও দুইবার নির্বাচিত হন। তিনি দেশের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির চেয়ারপারসন। তাঁর প্রয়াত স্বামী শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে একজন সেক্টর কমান্ডার। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৭, গণভবনে অনুষ্ঠিত মিডিয়া ব্রিফিংকালে আপনি (প্রধানমন্ত্রী) বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কিছু মানহানি কর বিবৃতি দিয়েছেন যা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সম্প্রচারিত হয়েছে এবং সকল দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা এবং অনেক সামাজিক মিডিয়া আউটলেটে মুদ্রিত ও প্রচারিত হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উক্ত মিডিয়া ব্রিফিংকালে আপনি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা এবং বিদ্বেষপরায়ণ বিবৃতি দিয়েছেন; আপনি বলেছেন যে, সৌদি আরবে বেগম খালেদা জিয়া একটি শপিংমলের মালিক এবং সেখানে তাঁর বিপুল সম্পদ রয়েছে এবং তিনি মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গেও জড়িত। আপনি তাঁর পুত্রদের সম্পর্কেও কিছু মিথ্যা উক্তি করেছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আপনি বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁর পুত্রদের সম্পর্কে যে অভিযোগ এনেছেন তা সাজানো, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিদ্বেষমূলক। বাংলাদেশের নির্দোষ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি সম্পন্ন সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার সুনাম বিনষ্ট করার হীন উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে আপনি এসব অভিযোগ এনেছেন। আপনার এই মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিদ্বেষপূর্ণ বিবৃতি বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্বজনের কাছে তাঁর ভাবমূর্তিকে খাটো করার অভিসন্ধিতে তৈরি। বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আপনার এই মিথ্যা অভিযোগ তাঁর প্রতি অবমানননা ও ঘৃণার সৃষ্টি এবং তাঁকে হাস্যকর করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আপনার এই অপবাদমূলক দীর্ঘ বিবৃতি পরিকল্পিতভাবে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করার জন্য এবং আপনার নিজের রাজনৈতিক সুবিধা লাভের হীন উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়েছে। আপনার এই বেপরোয়া ও বিদ্বেষপূর্ণ কদুক্তি একাধারে পরনিন্দা, অপবাদ, গ্লানিপূর্ণ ও মানহানিকর; যা বেগম খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ সুনাম, সম্মান, সততা এবং মর্যাদাকে বিনষ্ট করার এবং দেশে ও বিদেশে তাঁকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে খাটো করার হীন উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এই মানহানিকর বিবৃতির কারণে অপূরণীয় লোকসান ও ক্ষতি হয়েছে যার জন্য আইনত আপনি দায়ী।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উপরে বর্ণিত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে, অত্র আইনি নোটিসের মাধ্যমে, আমরা আপনাকে বেগম খালেদা জিয়ার নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং উক্ত ক্ষমা অত্র আইনি নোটিস প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সকল জাতীয় দৈনিকের প্রথম পৃষ্ঠায়, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, অনলাইন সংবাদপত্র এবং সামাজিক মাধ্যম আউটলেটে যথাযথভাবে প্রকাশ ও প্রচার করার আহ্বান জানাচ্ছি, অন্যথায় আপনার বিদ্বেষপূর্ণ, মানহানিকর এবং কপট ও কুটিল বিবৃতির কারণে আপনার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আদায়ের নিমিত্তে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমাদের ওপর নির্দেশ রয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আপনার বিশ্বস্ত,</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">(এ. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার এট ল)</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1513765221_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিচালককে হাত করে ৩ ডাক্তার সিন্ডিকেটের হাতে জিন্মি দেশের দেশজ চিকিৎসা খাত। and nbsp; নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়মই নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে হোমিও ও দেশজ চিকিৎসা খাতে । পরিচালককে হাত করে ৩ ডাক্তার সিন্ডিকেট করে পুরো খাতকে কুক্ষিগত করে রেখেছে । তাদের বেপরোয়া আচরণে একদিকে যেমন ক্ষুব্ধ ইউনানী আওয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসকরা তেমনি শিক্ষার্থীরাও। তাদের নিকট জিম্মি এ সেক্টরের সঙ্গে জড়িত প্রায় ২ হাজার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও চিকিৎসক। তারা সুষ্ট তদন্ত করে দূর্নীবাজ কর্মকর্তাদের শাস্তি দাবি করেছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">জানা যায়, সারাদেশে সরকারী ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ২ টা। এর মধ্যে একটি রাজধানীর মিরপুরে অন্যটি সিলেটে। এছাড়াও সরকারী হোমিও মেডিকেল কলেজ রয়েছে একটি। এটিও রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত। এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার। and nbsp; প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর হোমিও ও দেশজ চিকিৎসা ও লাইন ডিরেক্টর অল্টারনেটিভ মেডিকেল (এ এম সি) দ্বারা । এর একজন পরিচালক রয়েছেন। যিনি পুরোটাই নিয়ন্ত্রন করে থাকেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অনুসন্ধানে জানা গেছে, পরিচালক, হোমিও ও দেশজ চিকিৎসা এবং লাইন ডিরেক্টর ডা. মনোয়ারা সুলতানা সিন্ডিকেটের প্রধান। তার আরও তিন সহযোগী রয়েছে এরা হলো ডা. আবু বকর সিদ্দিক, ডা. কামরুজ্জামান সুমন and nbsp; এবং ডা. কামরুল কায়েস । এরা মেডিকেল অফিসার হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কর্মরত। অভিযোগ উঠেছে, আবু বকর সিদ্দিক, কামরুজ্জামান সুমন এবং ডা. কামরুল কায়েস লাইন ডিরেক্টর মনোয়ারা সুলতানাকে হাত করে সকল ধরনের অপকর্ম করে যাচ্ছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এ খাতে নিয়োগ বন্ধ থাকলে ২০১৪ সালের আগষ্টে ১২২ জন এবং পরবর্তীতে আরো ১৮ জন ডাক্তার মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। এটাই এখন পর‌্যন্ত এ সেক্টরের ডাক্তারদের বড় নিয়োগ। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে ২২৫ জন ডাক্তার নিয়োগ হয়েছে। and nbsp; অভিযোগ উঠেছে, নিয়োগ থেকে শুরু করে বদলি সবকিছু নিয়ন্ত্রন করেছেন আবু বকর সিদ্দিক, কামরুজ্জামান সুমন ও কামরুল কায়েস । নিয়োগ পাওয়া কোন ডাক্তার এক কর্মস্থলে কমপক্ষে ৩ বছর পর বদলির বিধান রয়েছে কিন্তু ওই সময়ে সদ্য নিয়োগ পাওয়া ডাক্তারদের বদলি বাণিজ্য শুরু করেন তারা। নিয়োগ পাওয়া ডাক্তারদের ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে পছন্দের জায়গায় বদলি করেন। এমনকি কেউ বদলি হতে না চাইলেও তাকে টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। সেই হিসেবে ১৪০ জন সদ্য নিয়োগ পাওয়া ডাক্তারদের নিকট থেকে প্রায় দুই কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমান সময়েও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আবেদন না করেও চাকরিতে : খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সিন্ডিকেটের সদস্য ডা. আবু বকর সিদ্দিক ২০১৪ সালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে আবেদন করেছিলেন। ওই আবেদন যাচাই বাছাইয়ে তিনি বাদ পড়ে যান। বাদ পড়ার পরেও তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় স্বাস্থ্য অধিপ্তরের ভাইভা কার্ড দিয়ে চাকুরি দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি যে পদে চাকুরি করছেন তার সেখানে ওই সময় কেউ আবেদন করেননি। এ বিষয়ে আবু বকর সিদ্দিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। বলেন , যারা অভিযোগ করেছে তাদের এটি অপপ্রচার।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বদলি বাণিজ্য : ২০১৪ সালের মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান আব্দুর রাজ্জাক। তার পোষ্টিং হয় কুমিল্লায়। তিনি ৬ মাসের মধ্যেই তিনি বদলি হন সাতক্ষিরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে। ডা. ইসরাত জাহান। তার পোষ্টিং হয় গাজিপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োগের ৬ মাসের মধ্যে তিনি বদলি নিয়ে চলে আসেন ঢাকার ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। একই সমেয় নিয়োগ পান ডা খোদেজা আক্তার। তিনি পোষ্টিং পান নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এক বছরের মাথায় তিনিও চলে আসেন ঢাকায়। এছাড়াও ডা. মোনালিসা মুশতারি। তার পোষ্টিং ছিল বাগেরহাটে। তিনিও ৬ মাসের মাথায় বদলি নিয়ে আসেন ঢাকায়। ডা. শারমিন সুলতানা তার পোষ্টিং ছিল সিলেটে। তিনিও ঢাকায় বদলি আসেন। এ রকমভাবে প্রায় ১৪০ জন ডাক্তারকে পোষ্টিংয়ের কখনো ৩ মাস কখনো ৬ মাস পরে পছন্দের জায়গায় বদলি করা হয়েছে। বদলির ক্ষেত্রে নেয়া হয়েছে ৫০ থেকে ১ লাখ টাকা পর‌্যন্ত।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">নাম প্রকাশ না করা শর্তে বদলিকৃত ডাক্তাররা বলেন, বদলি হতে কিছু না কিছু তো লেগেছে। কাকে দিয়েছেন এমন প্রশ্নে তারা বলেন, যারা নিয়ে বদলি করতে পারেন তাদের-ই দেয়া হয়েছে। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">কেনাকাটায় দূর্নীতি : ইউনানী আয়ুর্বেদিক ও হোমিও মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের কেনাকাটায়ও এ সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করে থাকে । কোটি টাকার যন্ত্রপাতি এবং ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে কোন ধরনের নিয়ম মানা হয় না। চলতি বছরের ৬ আগষ্ট সরকারী ইউনানী আয়ুর্বেদিক কলেজ ও হাসপাতালের জন্য একটি করে মোট ৩টি আলট্রাসানোগ্রাম মেশিন, একটি ইসিজি মেশিন, প্রিন্টার, ইউপিএস এবং ট্রলি বরাদ্দ দেয়া হয়। এ যন্ত্রপাতিগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। এসব যন্ত্রপাতি কেনায় কোন টেন্ডার আহবান করা হয়নি। লোক দেখানো কোটেশন করে মেশিনগুলো কিনে এগুলো সরবরাহ করা হয়েছে। এখাতেও বড় ধরনের দূর্নীতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে একইভাবে ৩টি কলেজে হিটাচি প্রজেক্টর সরবরাহ করা হয়েছে। সেখানে দূর্ণীতি করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারী হাসপাতালগুলোতে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক এবং হোমিও ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রেও রয়েছে বড় ধরনের দূর্নীতি। পছন্দের বাইরে কোম্পানির বাইরে থেকে কোন ওষুধ নেয়া হয় না। চলতি বছরের জুনে রাজশাহী ও নওগাঁ জেলার ১৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ লাখ করে মোট ৪৮ লাখ টাকারও ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এখানে বড় ধরনের দূর্নীতি করা হয়েছে। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন চিকিৎসক জানান, মূলত লাইন ডিরেক্টর ডা. মনোয়ারা এবং ৩জন চিকিৎিসকের নিকট জিম্মি এ খাত। তাদের অনিয়ম, দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতায় নিকট অসহায়। ঘুষ ছাড়া কোন ধরনের কাজ হয়না । তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্ত করলে প্রত্যেকটি অনিয়মের প্রমান মিলবে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আরো কয়েকজন চিকিৎসক জানান, তাদের বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না। যদি কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে তবে তাদের কে নানাভাবে নাজেহাল করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, যদি কেউ এ ধরনের অভিযোগ করে থাকে তবে তা মিথ্যা। আর আমরা যেহেতু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চাকরি করি সুতরাং লাইন ডিরেক্টরের কথা মেনেই আমাদের কাজ করতে হয়। এখানে সিন্ডিকেট বলতে কিছু নাই।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অন্যদিকে পরিচালক হোমিও দেশজ চিকিৎসা এবং লাইন ডিরেক্টর ডা. মনোয়ারা সুলতানা মিটিং এ রয়েছেন বলে ফোন কেটে দেন।পরে একাধিকবার তাকে ফোন করে আর পাওয়া যায়নি এছাড়াও ডা. কামরুজ্জামান সুমন ও ডা. কামরুল কায়েস এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512898857_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: উবার ও পাঠাও-এর মতো অ্যাপ নির্ভর পরিবহন সেবা বন্ধ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলরত মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রাণঘাতী লক্কর-ঝক্কর অটোরিকশা অপসারণ, রাজধানীর চালকদের নামে বরাদ্দকৃত ৫ হাজার ও চট্টগ্রামের চালকদের ৪ হাজার গাড়ী বিতরণসহ ৮ দফা দাবি আদায়ে বিআরটিএ কার্যালয় ঘেরাও করেছে সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুরস্থ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বিআরটিএ’র কার্যালয় ঘেরাও করে ৫ শতাধিক সিএনজি অটোরিকশা চালক ও শ্রমিক। তারা লিখিত ব্যানারসহ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিআরটিএ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এদিকে সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ঐক্য পরিষদ কর্তৃক বিআরটিএ কার্যালয় ঘেরাওয়ের খবরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিআরটিএ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ সদস্যরা।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">পুলিশি বাধায় বিআরটিএ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে তাদের লিখিত দাবি-দাওয়া পেশ করেন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ঢাকা জেলা কমিটির সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন দুলাল। কর্মসূচি শেষে কমিটির সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন দুলাল সাংবাদিকদের বলেন, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দাবি আদায় না হওয়ায় আজ (রোববার) বিআরটিএ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি আরও বলেন, ৮ দফা দাবিতে আমরা শ্রমিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি পেশ করেছি। দাবি আদায় না হলে ঘোষণা অনুযায়ী ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর ৪৮ ঘণ্টা ঢাকা ও চট্টগ্রামে ধর্মঘট পালন করবেন অটোরিকশা চালকরা। এ ছাড়া দাবি পূরণ না হলে তারা (অটোরিকশা চালকরা) ধর্মঘটে যেতে বাধ্য হবেন। ১৫ জানুয়ারি থেকে দুই মহানগরে লাগাতার ধর্মঘট শুরু হবে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">কর্মসূচি সফল হয়েছে বলে দাবি করেন এ পরিবহন নেতা বলেন, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ এর সহকারী পরিচালক শামসুল কবিরসহ কয়েকজন বিআরটিএ কর্মকর্তা আমাদের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের হাতে আমরা লিখিত দাবি পেশ করেছি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ঐক্য পরিষদের ৮ দফা দাবিগুলো হলো- ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচল করা মেয়াদোত্তীর্ণ অটোরিকশা অপসারণ করে নতুন অটোরিকশা প্রতিস্থাপন, ঢাকায় চালকদের নামে পাঁচ হাজার এবং চট্টগ্রামে চার হাজার অটোরিকশা বিতরণ, উবার ও পাঠাও এর মত অ্যাপনির্ভর পরিবহন সেবা বন্ধ, খসড়া পরিবহন আইন থেকে ‘শ্রমিক স্বার্থবিরোধী’ ধারা বাতিল, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নে ব্যবহারিক পরীক্ষা বন্ধ করা, অননুমোদিত পার্কিংয়ের জন্য মামলা না করা, চালকদের ‘হয়রানি’ বন্ধ করা ও নিবন্ধিত অটোরিকশা চালকদের ঢাকা জেলার সব জায়গায় চলাচলের অনুমতি দেওয়া।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এই বিষয়ে কাফরুল থানার পরিদর্শক (অপারেশান) কামরুল হোসেন বিডিহটনিউজকে জানান, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে ছিল। সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ৮ দফা দাবি আদায়ে বিআরটিএ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দিয়েছিল। and nbsp; তারা তাদের লিখিত দাবী জানিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি সমাপ্ত করেছে।</span></div><div style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px;"><br></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512897378_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাককে পাকিস্তান ছাড়তে আল্টিমেটাম দিয়েছে সেদেশের সরকার। ব্র্যাক ছাড়াও আরো ২০টি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাকে তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়ে দেশটি ত্যাগ করার এ নির্দেশ জারি করেছে পাক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">পাকিস্তানে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এসব এনজিওর করা নিবন্ধনের এক আবেদন শুক্রবার প্রত্যাখ্যান করেছে মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো বলছে, সম্প্রতি দেশটিতে আন্তর্জাতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পাকিস্তান সরকার বেশ কিছু নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। এসব এনজিও সেই মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">দেশটির একজন কর্মকর্তা বলেছেন, কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়ার জন্য এনজিওগুলোকে দুই মাসের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এনজিওগুলোর রিভিউ আবেদন করার অধিকার রয়েছে।</span></div><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512897395_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">দুই মাসের মধ্যে দেশটিতে কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে পাক সরকারের দেয়া আল্টিমেটামে বিস্ময় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশনএইড।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অ্যাকশনএইড পাকিস্তানের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইফতিখার এ নিজামি এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দেয়া ছাড়াই নতুন আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী আমাদের নিবন্ধনের আবেদন গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি চিঠি দিয়েছে। সব ধরনের কার্যক্রম শেষ করার জন্য আমাদের দুই মাসের আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">‘নিবন্ধনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সময় আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করেছি। আমরা প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেছি।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সূত্র : ডেইলি পাকিস্তান।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512890871_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়কের ২০ কিলোমিটার রাস্তায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ এ দুই সড়কে রাত আড়াইটা থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের যানবাহন ঢাকায় কিংবা ঢাকা থেকে কোনো গাড়ি এ দুই জেলায় ঢুকতে পারছে না।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এছাড়াও যানজটের কারণে কর্মজীবী মানুষ হেঁটে কর্মস্থলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। কখন যান চলাচল শুরু হবে সেটিও সঠিক বলতে পারছে না নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়কের ফতুল্লার কাশিপুর দেওয়ান বাড়ি এলাকাস্থ নির্মাণাধীন একটি ব্রিজের পাশে রাস্তা ধসে পড়াসহ ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ধসে যাওয়া রাস্তা সংস্কার করছে সেনাবাহিনী।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সিরাজগঞ্জ থেকে আসা ট্রাকচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, মাল নিতে মুক্তারপুরের উদ্দেশে রওনা হলে রাত আড়াইটায় পঞ্চবটিতে আটকা পড়ি। বেলা ১১টায় পর্যন্ত ১০ গজ এগুতে পেরেছি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের ইনস্পেক্টর (টিআই) জিয়াউল হক জানান, দুপুর একটার মধ্যে ধসে যাওয়া রাস্তার সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512889124_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের জীবন সুন্দর ও সহজ করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমানে দেশে ১৬ হাজার ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আর এর সুবিধা পাচ্ছেন দেশের ৮৩ শতাংশ মানুষ। তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকারের সময় দেশে উৎপাদন হতো এক হাজার ৬০০ and nbsp; মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর এখন হচ্ছে ১৬ হাজার মেগাওয়াট। and nbsp; আশা করি দেশের মানুষ তা মনে রাখবেন।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১০ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্প ও চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। and nbsp; and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির সময় দেশে বিদ্যুৎ ছিল না। রাজধানীর অনেক এলাকা অন্ধকারে ছিল। আমরা এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়ে যাত্রা করেছিলাম, এখন ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি। আশা করি দেশের মানুষ তা মনে রাখবেন।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিল্প উন্নয়নসহ যে কাজই করতে যাই বিদ্যুৎ প্রয়োজন। তাই আমাদের লক্ষ্য ছিল কত দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি। আমাদের লক্ষ্য ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া। দুর্গম এলাকায়ও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছি। এখন গ্রামে বসে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছি। মানুষের জীবন সুন্দর ও সহজ করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষমতায় এসে আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ঘরে ঘরে আলো জ্বালাবো, মানুষকে সুশিক্ষা শিক্ষিত করবো। প্রতিটি অঞ্চল উন্নত করা এবং সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা। আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">প্রধানমন্ত্রী বলেন, and nbsp; ‘লুটপাট, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি, ঘুষ, অত্যাচার, নির্যাতন ছিল বিএনপির কাজ। তাদের কাছে ক্ষমতা মানেই ভোগ বিলাসে গা ভাসানো। ক্ষমতায় থাকতে তারা দেশকে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান বানিয়েছিল। জঙ্গিবাদ ও বাংলা ভাইয়ের সৃষ্টি, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন, আমার ওপর গ্রেনেড হামলাই ছিল তাদের কাজ। মানুষের উন্নয়নে তারা কোনও কাজ করেনি।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">রোববার শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় আসা ১০ উপজেলার মধ্যে রয়েছে- ফরিদপুর সদর, রাজৈর, নওগাঁ সদর, কামারখন্দ, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, শালিখা, মেহেরপুর সদর, মদন ও বেলাবো।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ ছাড়া উদ্বোধন করা চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে- শিকলবাহা ২২৫ মেগাওয়াট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১০০ মেগাওয়াট, সাল্লা ৪০০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ এবং সরিষাবাড়ী ৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, সচিব, সৌদি আরব ও কুয়েতের রাষ্ট্রদূত।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512848444_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: বিদ্যুতের দাম নিয়ে নতুন করে ভোগান্তিতে পড়তে যাচ্ছেন আবাসিক গ্রাহকরা। সর্বশেষ এ বছরের ২৩ নভেম্বর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। তাতে বলা হয়, ‘বিল মাস’ ডিসেম্বর থেকে এই দাম কার্যকর হবে। এই ঘোষণায় গ্রাহকরা ধরে নিয়েছিলেন, জানুয়ারি মাসে বিদ্যুতের বাড়তি দাম দিতে হবে গ্রাহককে। কিন্তু বিতরণ কোম্পানিগুলোর হিসাবে ‘বিল মাস’ ডিসেম্বরের অর্থ কোনও কোনও ক্ষেত্রে নভেম্বর মাসের বিল। সে হিসেবে নভেম্বরের শেষে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে নভেম্বরের শুরুতেই বেড়ে গেছে বিদ্যুতের দাম। ফলে ডিসেম্বরের শুরুতেই দিতে হবে বাড়তি বিদ্যুতের দাম।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন একাধিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, গ্রাহকদের নভেম্বর মাসের ব্যবহৃত বিদ্যুতের বিলের সঙ্গে বর্ধিত রেটে বিল সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে গ্রাহকরা ডিসেম্বর মাসে যে বিল পরিশোধ করবেন, সেখানেই বাড়তি বিল পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু বিইআরসির নির্দেশ ছিল—ডিসেম্বর মাসের বর্ধিত বিল জানুয়ারি থেকে পরিশোধ করার।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. এম শামসুল আলম বলেন, ‘বিইআরসির ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বরের ১ তারিখের আগে কোনও গ্রাহকের কাছ থেকে বর্ধিত বিল আদায় করা যাবে না। কোনও ধরনের ব্যাখ্যা দিয়ে যদি সেটা করা হয়, তবে তা হবে আইনের পরিপন্থী। বিইআরসিরর আদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটা হতেই পারে না।’ তিনি বলেন, ‘বিইআরসির আদেশ অনুযায়ী স্পষ্ট ডিসেম্বরের এক তারিখ থেকে দাম বাড়বে।’ গ্রাহক সেটা জানুয়ারী মাসে পরিশোধ করবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">জানতে চাইলে ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন, ‘বিল মাস হিসেবে বিতরণ কোম্পানিগুলো আলাদা মাস বিবেচনা করে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা যে, বিল মাস ডিসেম্বর বলা হয়েছে তাতে নভেম্বর মাসের বিলকেই বোঝানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘‘মিটার রিডিং নেওয়ার ক্ষেত্রে মিটার রিডাররা একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করে নেয়। সেই অনুযায়ীই ‘বিল মাস’ ঠিক হয়। সে হিসাবে নভেম্বরের একটি নির্দিষ্ট তারিখ থেকে ডিসেম্বরের শুরুর দিকের একটি তারিখ পর্যন্ত ‘বিল মাস’ ডিসেম্বর হিসেবে বিবেচিত হবে।’’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">প্রতিমাসের বিল একই তারিখ হয় না বলে জানালেন and nbsp; ঢাকা বিদ্যুৎ সরবরাহ কোম্পানির (ডেসকো) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রি.জে. (অব.) শাহিদ সারওয়ার। তিনি বলেন, ‘মিটার রিডাররা মাসের শুরুর দিকে সে মিটারের রিড নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে অনেক সময় ৫ বা ৬ তারিখ থেকে পরের মাসের ৫/৬ তারিখের বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব করা হয়। এভাবেই প্রতিমাসে বিল করা হয়। বিল মাস বলতে বোঝায় যে মাসের বিল থাকবে সেটাই বিল মাস। কারও বিদ্যুতের বিল যদি ১৫ নভেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর হয়, তাহলে তাকে ডিসেম্বরের বাড়তি বিল দিতে হবে। তবে যদি নভেম্বরের ৫ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ৬ তারিখ হয়, তাহলে নভেম্বরের দাম অনুযায়ী তাকে বিদ্যুতের বাড়তি বিদ্যুতের বিল দিতে হবে না।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ বিষয়ে and nbsp; বিইআরসি’র সদস্য (বিদ্যুৎ) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিলিং সাইকেল আলাদা আলাদা হতে পারে। ফলে আমরা বিল মাস ডিসেম্বর উল্লেখ করেছি। সুনির্দিষ্টভাবে ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে বলা হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘কোনও কোনও বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির বিলিং সাইকেল অর্থাৎ গ্রাহকদের মিটার রিডিং নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে কোনও কোনও গ্রাহকের বিল নভেম্বর থেকেই বাড়তে পারে।’ তবে এই ঘটনা কেবল আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে হতে পারে বলে তিনি জানান।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিকাশ দেওয়ান জানান, ‘তবে যাদের প্রি-পেইড মিটার, তারা কেবল ডিসেম্বর মাসের বর্ধিত বিলই পরিশোধ করতে পারবেন। তাদের নভেম্বর মাসে ব্যবহৃত বিদ্যুতের ওপর বর্ধিত বিল পরিশোধ করতে হবে না।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">প্রসঙ্গত, গত ২৩ নভেম্বর গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে ৩৫ পয়সা বাড়ানো হয়; যা গড়ে পাঁচ দশমিক তিন পয়সা দাঁড়ায়। বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়েছে, বিল মাস ২০১৭ ডিসেম্বর থেকে বর্ধিত এই দর কার্যকর হবে।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512847802_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: কবি ও কলামিস্ট ফরহাদ মজহারকে উদ্ধারের পর র‍্যাবকে বন্দুক দেখিয়ে ফের তাকে ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল সাদা পোশাকের কয়েকজন ব্যক্তি। শনিবার রাতে নিজ বাসায় করা সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানিয়েছেন তিনি নিজেই। শনিবার রাতে শ্যামলীতে নিজের বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। অপহরণের ঘটনা তুলে ধরে মজহার বলেন, ‘গত ৩ জুলাই ভোরে আমি কম্পিউটারে লিখতে গিয়ে দেখি, চোখ খুলতে পারছি না, শুকনা। লেখা কিছুই পড়তে পারছি না। এ অবস্থা হলে ওষুধ কেনার জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা ফার্মেসিতে যাই। ওই সময় তিনজন লোক আমাকে ঘিরে একটি সাদা মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে আমার চোখ বেঁধে ফেলে।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি বলেন, ‘ওই সময় মোবাইল ফোন আমার হাতেই ছিল। আমি আমার স্ত্রী ফরিদা আক্তারকে ডায়াল করা অবস্থায় ছিলাম। ভাগ্যক্রমে তাকে আমি প্রথম ফোন করতে পেরেছি। এরপর বাঁচার জন্য টেলিফোন করা, টাকা পাঠানোসহ অপহরণকারীরা যা কিছু করতে বলে, আমি তাই করি।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মজহার বলেন, ‘তারা আমাকে যেখানে ছেড়ে দেয়, আমি চিনি না। আমি বুঝতে পারি, তারা আমার ওপর নজরদারি রেখেছে। তাদের নির্দেশ মতো সন্ধ্যায় হানিফ পরিবহনের গাড়িতে উঠলে গাড়িতে তারা আমাকে বাসের পেছনে বসিয়ে দেয়।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চুপ হয়ে ভীত, বিধ্বস্ত ও শারীরিক অসুস্থতায় নিস্তেজ হয়ে পড়ি। শোরগোল শুনে আমি জেগে উঠি। কিছু সাদা পোশাকের লোক জোর করে আমাকে নামিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আমাকে আবার মারার জন্য নামিয়ে নিচ্ছে ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মজহার বলেন, ‘সাদা পোশাকের কিছু ব্যক্তি র‌্যাবের দিকে বন্দুক তুলে আমাকে শাসিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উভয়ের মধ্যে প্রচণ্ড তর্ক হয়। কিন্তু র‌্যাব রীতিমতো ছোটখাটো যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে আমাকে তাদের গাড়িতে ওঠায়। আমার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের সঙ্গে কথা বলে আমাকে আশ্বস্ত করে। কিন্তু সাদা পোশাকের লোকগুলো জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে আনার চেষ্টা করে।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ সময় প্রশ্ন করা হয়, সাদা পোশাকধারীরা র‌্যাবের চেয়েও শক্তিশালী কিনা, তাদের পরিচয় কী? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আপনারা অনেকেই বুদ্ধিমান সাংবাদিক। এটাকে আমরা কী বলি– স্কুপ; খুঁজে বের করেন, অভয়নগরে কী হয়েছিল। আপনারা সাংবাদিকরা যে প্রশ্ন করছেন এখানে আমার ছোট ভাইয়েরা, আমরাও তো সাংবাদিক ছিলাম। তাহলে আমি মনে সাংবাদিক হিসেবে এই স্কুপটুকু দেন, সেদিন মধ্যরাতে ওখানে কী হয়েছিল?’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের নামে বলতে বাধ্য করা হয় যে, আমি বিনোদনের জন্য বেরিয়েছি। তিনি বলেন, অপহরণকারীরা তাঁকে খুলনা-যশোর সীমান্তের দিক দিয়ে সীমান্তের ওপারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি আরো বলেন, ‘উদ্ধারের পর শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত অবস্থায় আমাকে আদাবর থানায় নিয়ে আসা হয়। প্রতিশ্রুতি দিয়েও আমাকে আমার পরিবারের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। অনেকক্ষণ থানায় বসিয়ে রেখে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ফরহাদ মজহার আরও বলেন, অপহরণকারীরা তখনো এলাকায় থাকতে পারে ভেবে র‍্যাব তাঁকে খুলনায় নিয়ে চিকিৎসা-বিশ্রামের পাশাপাশি তদন্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু কে বা কারা র‍্যাবের গাড়ির দুই দিকের রাস্তায় ট্রাক থামিয়ে পথরোধ করে রেখেছিল। পরে র‍্যাবের গাড়িসহ তাঁকে এক জায়গায় নিয়ে বলা হয় সেটি অভয়নগর থানা।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">পুলিশের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করে ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘আমি ভিকটিম হওয়া সত্ত্বেও আমাকে জোর করে র‍্যাবের গাড়ি থেকে নামানো হয়। আমার সঙ্গে প্রচণ্ড দুর্ব্যবহার করে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে বলতে বাধ্য করা হয় যে, আমি বিনোদনের জন্য বেরিয়েছি। একটি গাড়িতে আমাকে নিয়ে উচ্চস্বরে গান গাইতে গাইতে পুলিশ ঢাকার দিকে রওনা হয়।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আমি জীবিত ফিরে আসায় আমাকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। আমি সারা জীবন মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেছি। বাংলাদেশে গুমের এ সংস্কৃতি বন্ধ করতে হলে, সকল মান-অপমান সহ্য করে হলেও বাংলাদেশে এ যাবৎ গুম হয়ে যাওয়া মানুষ যেন তাদের পরিবারের কাছে ফিরে আসতে পারে সে ক্ষেত্রে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">জোরপূর্বক অপহরণের মতো মারাত্মক ও জঘন্য ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না করে অভয় নগর থানার বয়ান অনুযায়ী পুলিশ ঘটনাকে অন্যদিকে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন ফরহাদ। তিনি বলেন, ‘তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা প্রেস কনফারেন্স করে আমাকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করেন। পুলিশের প্রতিবেদন চ্যালেঞ্জ করলে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার হুমকি দেন। এতে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৮ জুলাই ডিবি তাদের অফিসে ডেকে নেয়। সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে পুলিশের প্রতিবেদনে সায় না দিলে সামাজিকভাবে আরও লাঞ্ছিত করা ও মামলা করার হুমকি দেয়। এরপর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিশিষ্ট এই কবি ও কলামিস্ট বলেন, ‘ডিবি অফিসে বিধ্বস্ত অবস্থায় আমাকে জেরা ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা আমাকে একটি লিখিত বক্তব্য ধরিয়ে দেয়। ওই বক্তব্যই পরবর্তীতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">তিনি বলেন, ‘আমি নাটক করিনি। আমাকে যা বলা হয়েছে, তাই করেছি। আদালতে দেওয়া জবানবন্দি আমার না। আমাকে যা লিখে দেওয়া হয়েছে, আমি তাই আদালতে দিয়েছি।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সাংবাদিকরা জানতে চান, ‘১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে হয় আদালতে। আপনি কোনও জবাববন্দি না দিয়ে ডিবি পুলিশের লিখে দেওয়া কাগজ দিয়েছেন?’ তার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘উনি জবানবন্দি স্বেচ্ছায় দেননি। পুলিশ যেভাবে বলেছে, সেভাবে দিয়েছেন।’ স্বাধীন বিচার ব্যবস্থায় এটি কিভাবে সম্ভব জানতে চাইলে এই আইনজীবী বলেন, ‘উনি জবানবন্দি লেখেননি। উনি বলেছেন, আদালতের সোফায় এলিয়ে পড়েছিলেন।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সেই জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে মজহার বলেন, ‘এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। তবে প্রয়োজন মনে করলে আমার আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">অপহরণের বিষয়ে আরও জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সাথে আজই শেষ না, আরও কথা হবে। আমি শুধু আমার একার জন্য বসিনি। দেশে যারা গুম হয়েছে, তাদের জন্যও আপনাদের সঙ্গে বসেছি।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মজহার বলেন, ‘বিচারাধীন বিষয়ে আমাকে আর প্রশ্ন করবেন না। আমি চাই- বিচার স্বাধীন গতিতে চলুক। আমাকে গুম করা হয়েছিল। আমি একজন ভিকটিম। অথচ আমাকে মামলার আসামি করা হয়েছে।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ফরহাদ মজহারেরই: ডিবির যুগ্ম কমিশনার</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি ফরহাদ মজহারের বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন। তিনি বলেন, ‘ফরহাদ মজহার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানে কোনও পুলিশ ছিল না। সেটা যদি পুলিশ লিখে দিতো, তাহলে সেখানে তিনি ম্যাজিস্টেটের কাছে বলেননি কেন?’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ডিএমপি’র গোয়েন্দা বিভাগের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘ফরহাদ মজহারের সংবাদ সম্মেলন করার অধিকার আছে। তার কথা তিনি বলেছেন। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি লিখে দেওয়া পুলিশের কাজ না। এটা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন। ম্যাজিস্ট্রেট সেটা লিখে নিয়েছেন। সেখানে কোনও পুলিশ ছিল না।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">গত ৭ ডিসেম্বর অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন ও মিথ্যা মামলা করে বিভ্রান্ত ও হয়রানির করার অভিযোগ আনায় ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী মানবাধিকারকর্মী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করার আদেশ দেন আদালত। ওই দিনই মামলার বাদীর নারাজি দাখিলের জন্য সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম এ আদেশ দেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোররাতে শ্যামলীর and nbsp; রিং রোডের হক গার্ডেনের নিজ বাসা থেকে বের হন ফরহাদ মজহার। এরপর ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তিনি তার স্ত্রীকে ফোন করে জানান, ‘ফরিদা, ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’ পরে তার স্ত্রী আদাবর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে র‌্যাব-৬ যশোর নওয়াপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে আদাবর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তাকে মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ফরহাদ মজহার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তার স্ত্রীর করা যে জিডিটি মামলা আকারে নেওয়া হয় তার পরিপ্রেক্ষিতে ভিকটিম হিসেবে ফরহাদ মজহার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512843291_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: থানা পুলিশ ও এক উপমন্ত্রির উপস্থিতিতে থানা চত্বরে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে মঞ্চে নিয়ে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি সমাবেশ করে শনিবার ফের নতুন করে বিতর্ক জন্ম দিয়ে সমালোচিত হলেন। ধর্মপাশার মধ্যনগর থানা ভবন চত্বরে শনিবার বিকেলে থানা আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশ মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন আদালত কর্তৃত চেক ডিজওনার মামলার ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী এক সময়ে মধ্যনগর থানা বিএনপির কৃষক দলের সভাপতি বর্তমানে এমপি রতনের ঘনিষ্ট বন্ধু ও আ’লীগ সদস্য অমরেশ চৌধুরী। তিনি মধ্যনগর থানা সদরের প্রয়াত অনন্ত চৌধুরীর ছেলে।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মামলার বাদী ও মামলার পরিচালনাকারী আইনজীবীর সুত্রে জানা যায়, and nbsp; সুনামগঞ্জ পৌর শহরের মুক্তারপাড়ার মৃত বাহা উদ্দিনের ছেলে ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিনের নিকট থেকে ২০১৬ সালে কয়লা-ধানের ব্যবসায় বিনিয়োগ করার কথা বলে একই জেলার মধ্যনগরের প্রয়াত অনন্ত চৌধুরীর ছেলে অমরেশ চৌধুরী ১৩ লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে অমরেশ চৌধুরী and nbsp; সুনামগঞ্জ প্রাইম ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবের অনুকুলে ৭ এপ্রিল ২০১৬ সালে ১৩ লাখ টাকার and nbsp; চেক প্রদান করলে ওই টাকা ব্যাংকে নগদায়ন না হওয়ায় তিনি সুনামগঞ্জ and nbsp; চীফ জুডিসিয়াল আদালতে মামলা দায়ের করেন। and nbsp; যা দায়রা মামলা নং ১৯১/২০১৭ ইং। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২৫ অক্টোবর প্রতারণার দায়ে অমরেশ চৌধুরীকে সুনামগঞ্জ জেলা যুগ্ন জজ (প্রথম) আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ১৩ লাখ টাকা পরিশোধ ও ৬ মাসের করাদন্ড’র রায় প্রদান করেন। এরপর আদালত থেকে and nbsp; জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় হয়ে সংশ্লিস্ট থানায় অমরেশ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মামলার বাদী সাহাব উদ্দিন শনিবার রাতে বললেন, অমরেশের বিরুদ্বে জুডিসিয়াল আদালতে মামলা দায়েরের পরই and nbsp; সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ও সাজাপ্রদানের পর যুগ্ন জেলা জজ (প্রথম আদালত) থেকে পুন:রায় সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ও মধ্যনগর থানাতেও গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির পর and nbsp; তিনি থানা পুলিশের নিকট ফেরার হলেও সুনামগঞ্জ -১ আসনের শাসক দল আওয়ামীলীগের দলীয় সাংসদ এমপি রতনের ঘনিষ্ট জন ও বন্ধু হওয়ায়র সুবাধে নির্বাচনী এলাকাতে প্রায়ই থানা পুলিশ ও এমপির উপস্থিতিতে তিনি সরব পদচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, তাকে পুলিশ গ্রেফতার করছেন না। ’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এদিকে পুলিশের চোখে ফেরার হলেও শনিবার বিকেল চারটার দিকে মধ্যনগর থানা আ’লীগের উদ্যোগে খোদ থানা চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসবাবে বক্তব্যও রাখেন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী অমরেশ চৌধুরী। ওই সমাবেশে গিয়াস উদ্দিন নুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন and nbsp; বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি সহ দলীয় নেতাকর্মীগণ।’</span></div><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512843304_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">এদিকে সাজাপ্রাপ্ত আসামী শুধু বক্তব্য দিয়েই ক্ষ্যান্ত থাকেননি সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্য করতে ও থানা পুলিশকে বিতর্কিত করতে সমাবেশের পুর্বে থানা ভবনের ভেতরে বসে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সেলফি তুললে সেই সেলফি দলীয় নেতাকর্মীরাই বিকেলে সামাজিক যোগোযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অমরেশ চৌধুরীর সাথে শনিবার সন্ধায় and nbsp; যোগাযোগ করা হলে তিনি and nbsp; সাজাপ্রাপ্ত ও অর্থদন্ডের বিষয়টি স্বীকার করে বললেন, আমি আপিল করেছি। কোথায় কোন আদালতে কবে আপিল করেছেন জানতে চাইলে and nbsp; তিনি কোন রকম সদুক্তর না দিয়ে এ প্রতিবেদকের নিকট নিজেকে এমপি রতনের ঘনিষ্টজন ও বন্ধু পরিচয় দিয়ে আরো বললেন ‘ভাই আপাতত এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করবেন না।’ and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মধ্যনগর থানা আওয়ামলীগের তুণমুলের সদস্য ও প্রবীণ আ’লীগ নেতা বাবু নিক্সন রায় ও নরেদ্র পাল শনিবার রাতে বলেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী থানা পুলিশের সামনে সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে আইনের প্রতি আদালতের প্রতিবৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে নিজের ক্ষমতার জানান দিয়েছেন। পাশাপাশি থানা পুলিশেকে যেমন জনগণের নিকট বিতর্কে ফেলৈছেন তেমনি একজন আইন প্রণেতা হিসাবে সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতর এমপিরও ভাবমুর্তি ক্ষুণ্য করেছেন অমরেশ চৌধুরী।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মধ্যনগর থানার ওসি সেলিম নেওয়াজ শনিবার রাতে and nbsp; বলেন, থানা চত্বরেই সমাবেশ হয়েছে , সমাবেশে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন খন্দকার ও ধর্মপাশা সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার বিএম আশরাফ উল্লাহ তাহের সহ আমি নিজেও ছিলাম। কিন্তু অবরেশ চৌধুরীর নামে থানায় কোন গ্রেফতারী পরোয়ানা নেই কিংবা উনার সাজাপ্রাপ্ত অর্থদন্ড হওয়ার বিষয়টিও আমার জানা নেই।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল্লাহ বললেন, অমরেশ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে কীনা তা এই মুহুর্তে খোঁজ না নিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছেনা। পরে খোঁজ নিয়ে জানাব।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের সাবেক এপিপি অ্যাডভোকেট আবদুল আজাদ রুমান শনিবার রাতে and nbsp; বললেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করা, সভা সমাবেশে থানা পুলিশের সামনেই উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করাটা আইন পরিপন্থি কাজ, এটিও আরেক ধরণের অপরাধ, এর দায় পুলিশ প্রশাসনও এড়াতে পারেন না।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপির বক্তব্য জানতে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512810980_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের তাগিদ দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবসকে সামনে রেখে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই অবস্থান জানিয়েছে ইইউ। বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশকে তার পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">২০০১ সালে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-ইইউ সহযোগিতা চুক্তিতে দুই পক্ষই জাতিসংঘ সনদ মেনে মানবাধিকার সুরক্ষার মূলনীতিগুলোর গুরুত্বের ব্যাপারে একমত হয়েছিল। মানুষের মর্যাদা, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, বৈষম্যহীনতা, আইনের শাসন এবং মানবাধিকার দুই পক্ষের কাজের ভিত্তি। ইইউ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা দৃঢ়ভাবে মনে করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। এজন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছে তারা। and nbsp; and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ইইউ-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার প্রায় ৭০ বছর পার করেও সংস্কৃতি, ধর্ম আর জাতিগত পার্থক্যের কারণে মানুষের অধিকার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাস্তবতা বারবার বিশ্বকে সে কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার প্রশ্নে নিজেদের সোচ্চার অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে ওই সংস্থা। ওই জনগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিবৃতিতে স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়নের স্বার্থে জাতি-ধর্ম-বয়স-লিঙ্গ-পরিচয়-সামাজিক অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512810326_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">কালাই(জয়পুরহাট): জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার হারুঞ্জা শাহ্ পাড়া গ্রামে দাফনের ২ মাস পর কবর থেকে সাইদুর রহমান (৩২) নামের এক ব্যবসায়ীর লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। সাইদুর রহমান ওই গ্রামের কাজেম আলীর ছেলে। শনিবার সকাল ১১ টায় শাহ্ পাড়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে ওই ব্যবসায়ীর লাশ উত্তোলন করা হয়।জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দায়িত্বরত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিকুজ্জামানের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে ২য় বারের মতো ময়না তদন্তের জন্য তার লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।</span></div><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512810341_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">জানা যায়,গত ৯ অক্টোবর ভোরে পুলিশ কালাই উপজেলার হারুঞ্জা গ্রামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের মামলার পলাতক আসামি শাপলাকে গ্রেফতার করতে তার বাড়িতে যায়। এ সময় শাপলার স্ত্রী মাসুদা ও ভাই ফেরদৌস পুলিশের মারধরের শিকার হন। খবর পেয়ে শাপলার চাচা সাইদুর প্রতিবাদ করলে পুলিশ বাড়ির প্রধান ফটকে তার মাথা ও ঘাড়ে পিস্তলের বাট দিয়ে আঘাত করে এবং তলপেটে লাথি মারে। গুরুতর আহত সাইদুরকে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী হাসপাতাল ঘেরাও করলে পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে কালাই থানা মামলা না নিলে সাইদুরের বাবা কাজেম আলী ১১ অক্টোবর অভিযুক্ত দুই এসআই ও দুই and nbsp; কনস্টেবলের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মামলাটি কালাই থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিলে মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়।</span></div><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512810355_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">নিহত ব্যবসায়ী সাইদুর রহমানের বড় ভাই জাহিদুল আলম বলেন, আমার ভাইয়ের ঘাড়ে ও দুই হাতে পুলিশের মারপিটের চিহ্ন সবাই দেখেছে। অথচ প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দুই হাতে আঘাতের চিহ্নের কথা বলাও হলেও মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি। আর সেই সুযোগে পুলিশ অসত্য প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, প্রকৃত দোষীদের আড়াল করতে শুরু থেকেই পুলিশ তাদের অসহযোগিতা করছে। এমনকি এই হত্যাকান্ডের মামলাও থানায় নেওয়া হয়নি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. উজ্জল হোসেন জানান, পুলিশের দাখিল করা প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে নিহতের বাবা ও মামলার বাদী কাজেম আলী আদালতে নারাজি আবেদন করেন। আদালতের শুনানির পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে যে কোনও মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক নিয়ে বোর্ড গঠন করে পুনঃ ময়না তদন্তের আদেশ দেয়।একই সঙ্গে আগের ময়নাতদন্তে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকদের কোন গাফিলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ বিষয়ে জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুল আহসান তালুকদার বলেন,‘আদালতের আদেশ পেয়েছি। সে অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। and nbsp;</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512765202_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের কর্মসূচি নেই বিএনপির। তবুও ঘরে থাকতে পারছেন না নেতাকর্মীরা। প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের একাধিক জেলায় চলছে পুলিশের অভিযান। চলছে নীরব ধরপাকড়। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া লন্ডন থেকে দেশে ফেরার দুইদিন আগে থেকে শুরু হয়েছে এমন পরিস্থিতি। তারপর তার কক্সবাজার সফর, সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশকে কেন্দ্র করে এ ধরপাকড় চলেছে আরো দুই দফা।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">কয়েকদিন আগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ও মঙ্গলবার আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শতাধিক নেতাকর্মী। দৃশ্যত, রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ দেখালেও আদালতের বারান্দা আর কারাগারের চিত্র ভিন্ন। গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি ও নতুন মামলায় জামিনের জন্য আদালতের বারান্দা এখন মুখরিত বিরোধী নেতাকর্মীদের পদচারণায়। অন্যদিকে কারাগারগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভিড়। কারাগার থেকে সম্প্রতি জামিনে মুক্ত কয়েকজন নেতা ও বিএনপিসহ অঙ্গ দলের নেতাকর্মীরা এমন তথ্য জানিয়েছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি দায়েরকৃত নতুন মামলা ও আসামির সংখ্যা এবং গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্র জানায়, সর্বশেষ গত ৮ ডিসেম্বর রাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জুয়েলকে রাজাবাজারের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে ৫ই ডিসেম্বর বিশেষ আদালতে খালেদা জিয়ার হাজিরাকে কেন্দ্র করে হাইকোর্ট এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। সেদিন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক ও মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কমিশনার রফিকুল ইসলাম রাসেলসহ অন্তত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একইদিন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি নবীউল্লাহ নবী, আরিফুল ইসলাম আরিফসহ অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর নামে দায়ের করা হয় নতুন মামলা। পরদিন বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা নাদিম ও জাহাঙ্গীর আলম সনি। অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে বের হবার পর ১৭ই নভেম্বর তোপখানা রোড থেকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানকে গ্রেপ্তার করে পল্টন থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর দুই মেয়াদে ১১ দিন রিমান্ড শেষে তৃতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এদিকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচির আগের দিন পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান নাদিম, কুমিল্লা মহানগর জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা সূত্রাপুরের হাজী লিয়াকত আলী, উত্তরা পশ্চিমের আবদুস সালাম, রূপনগরের আবদুস সাত্তার, রিপন, জালাল হাওলাদার, মানিক খান, ফারুক আহমেদ, মোহাম্মদপুরের মাসুদ সর্দার, মিলন খন্দকার, মিলন ঢালী, বিজয় খান, ইবরাহিম, রাশেদ, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন পালোয়ানসহ ৫ জন, মুন্সীগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক রিফাতসহ ৪ জন ও ঘাট শ্রমিক দলনেতা আমির হোসেনসহ দেড় শতাধিক নেতাকর্মী। একই দিন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহ-সভাপতি হামিদুর রহমান হামিদ, যুগ্ম সম্পাদক আলী রেজাউর রহমান রিপন, কাউন্সিলর মকবুল ইসলাম খান টিপুসহ ৬০ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে দায়ের হয় নতুন মামলা। এর আগে ১০ই অক্টোবর নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ জেহাদ দিবসে জেহাদ স্কয়ারে ফুল দিতে গেলে তার ভাই সর্ব উদ্দিন ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিকসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে মতিঝিল থানা পুলিশ। আদালতে যাওয়ার পথে ১৯শে অক্টোবর মৎস্যভবন এলাকা থেকে যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে নাটোরে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করে এক সপ্তাহ আগে নতুন একটি মামলা দিয়েছে পুলিশ। একই দিন বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নতুন মামলা হয় সাতক্ষীরায়। এর আগে কক্সবাজার সফরে যাওয়া-আসার পথে ফেনীতে দুই দফায় হামলার মুখে পড়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর। পরে বাস পোড়ানোর অভিযোগে ১লা নভেম্বর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নঈম উল্লাহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিনসহ ২৯ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত অর্ধশতাধিকের নামে মামলা করে পুলিশ। সেখানে বিএনপি ও ছাত্রদলের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এছাড়া ১১ই অক্টোবর সিরাজগঞ্জে ১০ জন, ১২ই অক্টোবর নোয়াখালীতে ২৮ জন, সিলেটে ২১ জন, ১৯শে নভেম্বর জয়পুরহাটে ৬ জন ও বরিশালের গৌরনদীতে ৬১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এমন চিত্র প্রায় প্রতিদিনের এবং রাজধানীসহ সারা দেশের। and nbsp;</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">নীরব ধরপাকড় নিয়ে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের কর্মসূচি দিচ্ছে না বিএনপি। তবু বিরোধী নেতাকর্মীদের ঘরে থাকতে দিচ্ছে না পুলিশ। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে রাস্তার পাশে দাঁড়ানোর মতো নির্দোষ কর্মসূচিতেও হামলা চালাচ্ছে, গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। অন্যদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর থেকে কোনো কারণ ছাড়াই বিরোধী নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়িতে পুলিশি অভিযান চালালো হচ্ছে। যাকে পাচ্ছে ধরে নিয়ে যাচ্ছে, নতুন নতুন মামলায় যুক্ত করছে। জুয়েল বলেন, ঢাকাসহ সারা দেশে প্রতিদিন গড়ে ২৫-৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অনেকটা নীরবেই চলছে এ ধরপাকড়। একই পরিস্থিতি অন্য সংগঠনগুলোর ক্ষেত্রেও। ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি জেলা কারাগার বিরোধী নেতাকর্মী দিয়ে পূর্ণ করে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার বুঝতে পারছে তাদের পায়ের তলে মাটি নেই তাই দমন পীড়নের মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে যত দমন পীড়নই হোক চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করা হবে। ওদিকে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, দেশে এখন বড় কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম নেই। কিন্তু আদালতের বারান্দা আর কারাগারে গিয়ে দেখুন- চিত্র একেবারে ভিন্ন। মাস দেড়েক ধরে নীরবে ধরপাকড় চলছে সবখানে। প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের একাধিক জেলায় বাসাবাড়িতে হানা দিয়ে যুবদলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। এক সপ্তাহ আগে হাতিরপুল থেকে একসঙ্গে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। তিনদিন পর বাংলা মোটর সোনারতরী টাওয়ারের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হলো ৫ জন। সব গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া মুশকিল তবুও যেটুকু খবর তথ্য আমাদের কাছে আসে তাতে দেখা যাচ্ছে প্রতিদিনই সারা দেশে গড়ে ২০-৩০ জন যুবদল নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, ঘরেও থাকা যাচ্ছে না, বাইরেও থাকা যাচ্ছে না। ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন বলেন, পতনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে বর্তমান অবৈধ সরকার ততই জুলুম নিপীড়ন বাড়িয়ে দিয়েছে। পুলিশি অভিযান, গ্রেপ্তার ও হয়রানির কারণে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এখন দুঃসহ জীবন কাটাচ্ছে। কারাগারে ভিড় বাড়ছে, আদালতে পদচারণা বাড়ছে। তবে যত প্রতিকূল পরিস্থিতিই আসুক আমরা পিছু হটবো না। এদিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিক দেড় মাসের বেশি সময় কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন গত সপ্তাহে। শহীদ জেহাদ দিবসে ফুল দিতে গেলে তাকেসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আশিক জানান, বিরোধী নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ভরে ফেলা হয়েছে কারাগার। প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে সেখানে। তৈরি হচ্ছে অসহনীয় পরিবেশ। আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না বলেন, কোনো না কোনো এলাকায় প্রতিদিনই ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে পুলিশ। প্রতিদিনই চলছে গ্রেপ্তার। কিছু কিছু তথ্য কেন্দ্রীয় দপ্তরের মাধ্যমে প্রচার-প্রকাশ পেলেও বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে আড়ালে। একই পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সাঈদুর রহমান মিন্টু। তিনি জানান, ঢাকা দক্ষিণের বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রতিদিনই থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের একাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512764407_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: ৮ ডিসেম্বর মালয়েশিয়া থেকে রিজেন্ট এয়ারওয়েজে চড়ে ঢাকায় আসেন মো. সানাউল্লাহ। and nbsp; হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন । এরপর ব্যাগেজ বেল্টে এসে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। কিন্তু চিকিৎসার জন্য বিমানবন্দরের মেডিক্যাল সেন্টারে ছিলেন না কোনও চিকিৎসক। and nbsp; হাসপাতালে নেওয়ার জন্য পাওয়া যায়নি কোনও অ্যাম্বুলেন্স। and nbsp; বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে ওঠানোর পরই সানাউল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন বলে জানান তার ভাগ্নে দীন মোহাম্মদ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ৮ ডিসেম্বর মালয়েশিয়া থেকে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ফ্লাইটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সকাল ৮টা ৮ মিনিটে। এর ৭ মিনিট পর যাত্রীদের উড়োজাহাজ থেকে নামার জন্য উড়োজাহাজের ডোর ওপেন হয়। ওই ফ্লাইটেই মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় আসেন মো. সানাউল্লাহ। তার পাসপোর্ট নম্বর বিসি ০৩৪৫৬২৪।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মেহের আলীর পুত্র সানাউল্লাহর গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে। তার বয়স ৩৪ বছর। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কাউন্টারে এলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখান থেকে ব্যাগেজ বেল্টে এসে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এ কারণে কর্তব্যরত আর্মড পুলিশ সদস্যরা বিমানবন্দরের মেডিক্যাল সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কোনও চিকিৎসক সেখানে নেই। পরে মেডিক্যাল সেন্টারের নার্সরা এসে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তখন অ্যাম্বুলেন্সও পাওয়া যায়নি।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সানাউল্লার ভাগ্নে দীন ইসলাম জানান, তিন বছর ধরে তার মামা মালয়েশিয়ায় ছিলেন। তিনি যক্ষ্মা রোগে ভুগছিলেন। দীন বলেন, ‘৮ ডিসেম্বর সকালে ৮টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি অন্য যাত্রীর ফোন থেকে কল করে আমাকে বলেন— ‘তুই কই, আমি আসছি।’ তাকে জানাই, বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষা করছি। তখন মামা বলেন— ‘তুই থাক আমি আসছি।’ এরপর অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও মামা না আসায় চিন্তিত হয়ে পড়ি।”</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সকাল পৌনে ৯টার দিকে মামার কোনও খবর না্ পেয়ে ৩০০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে বিমানবন্দরের ভেতরে ঢোকেন দীন ইসলাম। এরপর সেখানেও তাকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তারা জানান, ভেতরে মালয়েশিয়া থেকে আসা একজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনিই ওই ব্যক্তি কিনা দেখার জন্য বলেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">দীন ইসলাম ঘটনার বিবরণে আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি— মামার মুখ বেয়ে ফেনা পড়ছে। তিনি নিথর হয়ে আছেন। পরে সেখানকার লোকজন জানায়, ‘তিনি আর নেই। আপনারা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান।’ তখন গাড়িতে করে মামাকে নিয়ে যাই। গাড়িতে ওঠানোর পর দেখি তার হাত-পা শক্ত হয়ে আছে, কোনও নড়চড়া নেই। পরে বাড়িতে এনে তার দাফন করা হয়।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ক্ষোভ প্রকাশ করে সানাউল্লার ভাগ্নে বলেছেন, ‘এত বড় বিমানবন্দর, অথচ একজন অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য কোনও চিকিৎসক নেই! কোনও অ্যাম্বুলেন্সও নেই। and nbsp; মামাকে হাসপাতালে নিতে পারলে হয়তো বাঁচাতে পারতাম।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">আর্মড পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, যাত্রী সানাউল্লার অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়ার পর বারবার মেডিক্যাল সেন্টারে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। অনেকক্ষণ পরে নার্স আসেন। তাদেরকে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে বললেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">শুধু এই ঘটনাই নয়, প্রায়ই অসুস্থ যাত্রীদের নিয়ে বিপদে পড়তে হয় বলে জানায় আর্মড পুলিশ। তাদের মন্তব্য— মেডিক্যাল সেন্টারে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে সিএনজি বা অন্য কোনও গাড়ি দিয়ে রোগীকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সূত্রে জানা যায়, বিমানবন্দরের ফায়ার সার্ভিসে একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে, যেটি শুধু দুর্ঘটনার কাছে ব্যবহৃত হয়। বিমানবন্দরের মেডিক্যাল সেন্টার পরিচালিত হয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের তত্ত্ববধানে। সেখানে একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এ প্রসঙ্গে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক কাজী ইকবাল করিম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের তত্ত্ববধানে একটি মেডিক্যাল সেন্টার আছে বিমানবন্দরে। তাদের একটি অ্যাম্বুলেন্সও রয়েছে। কোনও যাত্রী অসুস্থ হলে তাদের খবর দেওয়া হয়। তবে তাদের অ্যাম্বুলেন্স কোনও কাজে আসছে না। তাদের কাছে এ বিষয়টি তুলে ধরা হয় বিভিন্ন সমন্বয় বৈঠকে।’</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক আরও বলেন, ‘সিভিল এভিয়েশনের নিজস্ব মেডিক্যাল উইং থাকলে হয়ত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যেতো। বিমানবন্দরে অনেক সংস্থা কাজ করে, তারা সিভিল এভিয়েশনের অধীনস্ত নয়। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে যাত্রী সেবা নিশ্চিত হবে।’</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512759787_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">বিডিহটনিউজ,ঢাকা: জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) এর পক্ষ থেকে ঈদুল মিল্লাদুন্নবী ও সারা বাংলাদেশে সকল মরহুম টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারদের আত্নার মাগফেরাত ও অসুস্থদের জন্যে রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">উক্ত দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন, জেটেবের সভাপতি ফকরুল আলম, জেটেবের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মিজানুর রহমান, জেটেবের সহ-সভাপতি আবু সাইদ জনি,সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক রশিদ , অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাকির, এছাড়াও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদ রনিসহ জেটেবের আরও সিনিয়র নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। and nbsp; সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন,উত্তরা টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজের জেটেবের সকল নেতৃত্ববৃন্দ।</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত
<HTML><head></head><body style=""><div style=""><img src="http://bdhotnews.com/2017/05/26/1512750184_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi;">ডেস্ক রিপোর্ট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোলান ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরাইলের রাজধানী স্বীকৃতির দেওয়ার সিদ্ধান্তের and nbsp; নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি আহমেদ আলী মুকিব।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এক বিবৃতিতে মুকিব বলেন জেরুজালেম শুধু ফিলিস্তিনি মুসলমানদের নয়, গোটা মুসলিম উম্মাহর। ইসলামের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাসের এই ভূমি ফিলিস্তিনিদের। এটা কখনও কোনো ইজরাইলের হতে পারে না।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোলান ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরাইলের রাজধানী স্বীকৃতির দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমি নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে প্যলেষ্টিনিদের ন্যয্যদাবি মেনে নেওয়ার দাবি জানাই। সূত্র: প্রেস রিলিজ</span></div> </body></HTML> ...বিস্তারিত